টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করলো বিজিবি

- আপডেট সময় ০৮:৩০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২২৯ বার পড়া হয়েছে
টেকনাফ প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক পাচারের একটি বড় চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নাফ নদী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) নিয়মিতভাবে সফল অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) টেকনাফ উপজেলার নাজিরপাড়া বিওপি এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান নাজিরপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হানিফুর রহমান, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি-এর পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী বিজিবির একটি আভিযানিক দল ভোর ৪টার দিকে নাজিরপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-৬ হতে আনুমানিক ৫০০ গজ দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এবং বিওপি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নারিকেলকাঠি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা কেওড়া বাগানের ঝোপঝাড়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।
অভিযান চলাকালে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মাছ রাখার পাত্র (ডুলা) হাতে নিয়ে নাফ নদীর কিনারা দিয়ে কেওড়া বাগানের দিকে অগ্রসর হতে দেখা যায়। তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে ওই ব্যক্তি বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে হাতে থাকা ডুলা ফেলে কেওড়া বাগানের ভেতরে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া মাছ রাখার পাত্র (ডুলা) তল্লাশি করে সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে বিশেষভাবে মোড়কজাত চারটি প্যাকেটের ভেতর থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় কোনো মাদক কারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অজ্ঞাত মাদক কারবারিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হানিফুর রহমান বলেন, “আজকের অভিযানে অর্জিত সফলতা আবারও প্রমাণ করলো যে, দেশের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কোনো আপস নেই। সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা এবং প্রতিটি চোরাচালান প্রতিহত করতে ২ বিজিবির অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”




















