সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আনসারের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির অভিযোগ

- আপডেট সময় ০২:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১১ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষক আনসারুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন ও আপত্তিকর আচরণ এবং প্রাইভেট পড়ার জন্য চাপ প্রয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগের পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার কাছে জমা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে অজ্ঞাত কারণে ওই প্রতিবেদন এখনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা।
গত ২২ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠ শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রীর অভিভাবক কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে বলা হয়, ষষ্ঠ শ্রেণির ‘গ’ ও ‘ঘ’ শাখায় ক্লাস নেওয়ার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক ছাত্রীদের অশালীন মন্তব্য করেছেন। এছাড়া ছাত্রীদের শালীন পোশাক, বিশেষ করে স্কার্ফ পরা নিয়েও আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করার অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষক বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে গিয়ে ছাত্রীদের তাঁর কাছে ব্যক্তিগতভাবে প্রাইভেট পড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন। কেউ এর প্রতিবাদ করলে কিংবা শ্রেণি শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।
অভিভাবকদের অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সঠিক তথ্য উদঘাটনের জন্য তিন সদস্যের একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটিকে দুই কর্মদিবসের মধ্যে গোপনীয়তার সঙ্গে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রতিবেদন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার কাছে জমা দিয়েছে।
তবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরও তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে বিলম্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে অভিভাবকেরা।
অভিভাবকদের দাবি, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দ্রুত তা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। প্রতিবেদন পাঠাতে বিলম্বের কারণ নিয়েও তারা প্রশ্ন তুলেছেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক আনসারুল হক চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়েছে ,আমার কোন এক পাক্ষিক বক্তব্য নেই। প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলুন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

তদন্তের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন অভিভাবকরা।









