ড. হামিদুর রহমান আযাদের বিশেষ উদ্যোগে মহেশখালীর ধলঘাটে ৩০ কোটি টাকার সড়ক পুনর্নির্মাণ অনুমোদন, শিগগিরই কুতুবদিয়া সি-ট্রাক চালু

- আপডেট সময় ০৬:২৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
- / ২৩৪ বার পড়া হয়েছে
মহেশখালী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের বিশেষ প্রচেষ্টায় কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের জনগণের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হতে চলেছে। তার বিশেষ যোগাযোগ ও তদবিরে ধলঘাট ইউনিয়নের অন্যতম প্রধান সড়কটির পুনর্নির্মাণের অনুমোদন মিলেছে এবং কুতুবদিয়া সী-ট্রাক প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
জানা যায়, মহেশখালী উপজেলার নাসিরের ডেইল থেকে সাপমারা ডেইল পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে ছিল ভঙ্গুর ও কর্দমাক্ত। এতে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক, জেলে ও লবণচাষীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে দৈনন্দিন চলাচলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছিল।
জনদুর্ভোগ লাঘবে ড. হামিদ আযাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সড়কটির পুনর্নির্মাণের অনুমোদন মঞ্জুর করেছে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন খান জানান, “ধলঘাটের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত জটিল হওয়ায় সেখানে সড়ক নির্মাণে বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আনুমানিক ৩০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাবিত হয়েছে। জাইকা ফান্ডের আওতায় এক মাসের মধ্যেই সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হবে।”
ধলঘাটের সড়ক অনুমোদন প্রসঙ্গে সাবেক সাংসদ ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার সার্বিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, তিনি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা বরাবর মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় ফেরী চালুর জন্য আবেদন করেছিলেন।
তিনি বলেন, “ইতিমধ্যে মহেশখালীতে সী-ট্রাক চালু হয়েছে। খুব শিগগিরই কুতুবদিয়া সী-ট্রাক চালু হবে, ইনশাআল্লাহ। এছাড়া মগনামা জেটি মেরামতের কাজও বাস্তবায়নের পথে।”
ড. আজাদ আরও বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা গত ৫ আগস্ট তাঁকে আপাতত ‘সী-ট্রাক’ এবং পরবর্তীতে ফেরী চালুর জন্য প্রকল্প গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মহেশখালী-কুতুবদিয়া দ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তিনি মগনামা-কুতুবদিয়া ফেরি সার্ভিস চালু করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।
ধলঘাট ইউনিয়নের এই সড়ক পুনর্নির্মাণ অনুমোদন এবং কুতুবদিয়া সী-ট্রাক চালুর খবরে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার করেছে। এলাকাবাসী মনে করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্য ও লবণচাষের অর্থনীতি নতুন গতি পাবে, এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। এই জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য ড. হামিদ আযাদ এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

















