টেকনাফে বিজিবি–র্যাবের সাঁড়াশি অভিযান
১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারী আটক, নৌযানে পালালো আরও দুইজন

- আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৫০ বার পড়া হয়েছে
টেকনাফ প্রতিনিধি:
সীমান্তে মাদক চোরাচালান দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) আবারও বড় সফলতা অর্জন করেছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এবং র্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযানে ১ লাখ ইয়াবাসহ এক মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার ভোরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লম্বরি কচ্ছপিয়া ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
বিজিবি জানায়, রবিবার (২৩ নভেম্বর) ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে মিয়ানমার থেকে গভীর সাগরপথে আসা একটি নৌযানকে প্রযুক্তির মাধ্যমে সন্দেহজনক অবস্থায় শনাক্ত করা হয়। পরে বিজিবি ও র্যাবের যৌথ টহলদল কচ্ছপিয়া, দরগাছড়া ও মিঠাপানিছড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। নৌযানটি যখন উপকূলের কাছাকাছি আসে, তখন পাচারকারীরা পানিতে নেমে ইয়াবা হস্তান্তরের চেষ্টা করছিল। ঠিক সেই সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে একজন পাচারকারীকে ১,০০,০০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করে। তবে আরও দুইজন পাচারকারী নৌযান নিয়ে উত্তাল সাগরে পালিয়ে যায়।
আটক ব্যক্তির নাম হোসেন আহমেদ (৩৫)। তিনি উত্তর লম্বরি এলাকার নূর আহমেদের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মিয়ানমার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বাংলাদেশে পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে বিজিবি। আটক আসামিকে উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও মোবাইল ফোনসহ থানায় সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “বিজিবি ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আজকের এ সফলতা প্রমাণ করেছে—মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। দেশের নিরাপত্তা ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষায় অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”




















