মহান বিজয় দিবসে টেকনাফে জামায়াতে ইসলামীর জমকালো আয়োজনে বিজয় সমাবেশ

- আপডেট সময় ০৬:৫১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২৭৯ বার পড়া হয়েছে
টেকনাফ, প্রতিনিধি:
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী টেকনাফ উপজেলার উদ্যোগে হোয়াইক্যং ও হ্নীলা ইউনিয়নের যৌথ আয়োজনে এক আলোচনা সভা ও বিজয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গৌরবময় এই দিনে ন্যায়, ইনসাফ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে মাওলানা গিয়াস উদ্দিন নিজামীর সঞ্চালনায় এবং মাওলানা রফিক উল্লাহ’র সভাপতিত্বে বিজয় দিবসের চেতনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়বদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনেরসসংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী। প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শাহ জালাল চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ নুরুল হোছাইন ছিদ্দিকী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মানুষ এখনও বৈষম্য, বঞ্চনা ও বেকারত্বের শিকার। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ছিল শোষণমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে বৈষম্যের অবসান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।”
প্রধান বক্তা অ্যাডভোকেট শাহ জালাল চৌধুরী বলেন, “বিজয় দিবসের চেতনাকে অর্থবহ করতে হলে দুঃশাসন, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। রাজনৈতিক সংস্কার ছাড়া দেশের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ নুরুল হোছাইন ছিদ্দিকী বলেন, “চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি উৎখাত না হলে বিজয়ের প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা পাবে না। রাষ্ট্র পরিচালনায় সততা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।”
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ফোরকান আহমদ, ইব্রাহিম খলিল, মোহাম্মদ তারেক, মোহাম্মদ হোছাইন, জায়নত উল্লাহ, মাওলানা মোস্তাক আহমদ, মোহাম্মদ জুবাইর, ছৈয়দ আহমদ তারেক, মীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, জহির আহমেদ, মাওলানা বদিউল আলম, মোহাম্মদ ইয়াকুবসহ স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
আলোচনা শেষে মহান বিজয় দিবসের চেতনাকে ধারণ করে ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করে সমাবেশটি সফলভাবে সমাপ্ত হয়।
























