কক্সবাজার ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্তমানে দেশে মাথাপিছু ঋণের বোঝা ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯৳

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৯:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৭৯ বার পড়া হয়েছে

রোববার সংসদ সদস্য রেজা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, মানুষের ওপর ঋণের বোঝা কমাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দিকে জোর দিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরো শৃঙ্খলাবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অর্থমন্ত্রী জানান, কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব আদায় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারের নিজস্ব আয় বাড়িয়ে ঋণের প্রয়োজন কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

সরকারি ব্যয়ও কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও কম গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এতে সরকারের অর্থের ওপর চাপ কমবে।

 

সরকারি ঋণের সুদের হার ও পুনর্বিত্তায়নের ঝুঁকি কমাতেও ঋণ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এ জন্য সরকারি সিকিউরিটিজের বাজারকে আরো কার্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণের বাজার সংস্কার এবং বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া নিয়ন্ত্রণেও নির্ধারিত সীমা অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের সুদ বা মুনাফার হার বাজার পরিস্থিতি ও প্রচলিত সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলে বেশি সুদের ঋণের ওপর সরকারের নির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে সরকারের সুদ ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। ঋণের ক্ষেত্রেও ভারসাম্য আনা যাবে।

 

এ ছাড়া অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত ঋণ নেওয়া ঠেকাতে সরকার প্রতিবছরের জন্য ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা করবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঋণ নেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বর্তমানে দেশে মাথাপিছু ঋণের বোঝা ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯৳

আপডেট সময় ০৯:০৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোববার সংসদ সদস্য রেজা আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, মানুষের ওপর ঋণের বোঝা কমাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দিকে জোর দিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরো শৃঙ্খলাবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অর্থমন্ত্রী জানান, কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব আদায় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারের নিজস্ব আয় বাড়িয়ে ঋণের প্রয়োজন কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

সরকারি ব্যয়ও কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ও কম গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এতে সরকারের অর্থের ওপর চাপ কমবে।

 

সরকারি ঋণের সুদের হার ও পুনর্বিত্তায়নের ঝুঁকি কমাতেও ঋণ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এ জন্য সরকারি সিকিউরিটিজের বাজারকে আরো কার্যকর ও প্রতিযোগিতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণের বাজার সংস্কার এবং বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া নিয়ন্ত্রণেও নির্ধারিত সীমা অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের সুদ বা মুনাফার হার বাজার পরিস্থিতি ও প্রচলিত সুদের হারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলে বেশি সুদের ঋণের ওপর সরকারের নির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে সরকারের সুদ ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। ঋণের ক্ষেত্রেও ভারসাম্য আনা যাবে।

 

এ ছাড়া অতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত ঋণ নেওয়া ঠেকাতে সরকার প্রতিবছরের জন্য ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা করবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঋণ নেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।