কক্সবাজার ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খারাংখালী–কম্বনিয়া সড়ক: জাইকার অর্থায়নে নতুন রূপ, তদবিরে অধ্যক্ষ আনোয়ারী

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০১:২৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৪৬৫ বার পড়া হয়েছে

খারাংখালী–কম্বনিয়া সড়ক: জাইকার অর্থায়নে নতুন রূপ, তদবিরে অধ্যক্ষ আনোয়ারী

টেকনাফ প্রতিনিধি:

দীর্ঘদিনের অবহেলা ও জনদুর্ভোগের পর অবশেষে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী স্টেশন থেকে কম্বনিয়া পাড়া পর্যন্ত সড়কটি শীঘ্রই নতুন রূপে নির্মাণ হতে যাচ্ছে।

জাপানি উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে ঢালাই, ড্রেনসহ আধুনিক সড়ক নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। ইতোমধ্যে টেকনাফ উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে সড়কটির অবস্থা পরিদর্শন করেছেন।

এ উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন চারবার নির্বাচিত হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আসন্ন উখিয়া–টেকনাফ (কক্সবাজার-৪) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অবহেলিত রাস্তাটিকে মানুষের জন্য উন্নয়নের পথে নিয়ে আসার তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে এই সড়ক চলাচলের অনুপযোগী ছিল। বর্ষায় কাদা আর শুকনো মৌসুমে ধূলার কারণে প্রতিদিনই পথচারী ও যানবাহন চালকরা চরম দুর্ভোগ পোহাতেন।

উন্নয়ন কাজ শেষ হলে, শুধু যাতায়াত সহজ হবে না—শিক্ষা, চিকিৎসা এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি আসবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

খারাংখালী–কম্বনিয়া সড়ক: জাইকার অর্থায়নে নতুন রূপ, তদবিরে অধ্যক্ষ আনোয়ারী

আপডেট সময় ০১:২৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খারাংখালী–কম্বনিয়া সড়ক: জাইকার অর্থায়নে নতুন রূপ, তদবিরে অধ্যক্ষ আনোয়ারী

টেকনাফ প্রতিনিধি:

দীর্ঘদিনের অবহেলা ও জনদুর্ভোগের পর অবশেষে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের খারাংখালী স্টেশন থেকে কম্বনিয়া পাড়া পর্যন্ত সড়কটি শীঘ্রই নতুন রূপে নির্মাণ হতে যাচ্ছে।

জাপানি উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে ঢালাই, ড্রেনসহ আধুনিক সড়ক নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবে। ইতোমধ্যে টেকনাফ উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে সড়কটির অবস্থা পরিদর্শন করেছেন।

এ উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন চারবার নির্বাচিত হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আসন্ন উখিয়া–টেকনাফ (কক্সবাজার-৪) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার অবহেলিত রাস্তাটিকে মানুষের জন্য উন্নয়নের পথে নিয়ে আসার তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে এই সড়ক চলাচলের অনুপযোগী ছিল। বর্ষায় কাদা আর শুকনো মৌসুমে ধূলার কারণে প্রতিদিনই পথচারী ও যানবাহন চালকরা চরম দুর্ভোগ পোহাতেন।

উন্নয়ন কাজ শেষ হলে, শুধু যাতায়াত সহজ হবে না—শিক্ষা, চিকিৎসা এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি আসবে।