কক্সবাজার ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে যুক্ত করতে মরিয়া একটি পক্ষ — সুশীল সমাজের মন্তব্য

এমএ বাপ্পি
  • আপডেট সময় ০৯:২৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৩৮০ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে যুক্ত করতে রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ একটি পক্ষ বিশেষভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

তাদের মতে, জাতীয় পার্টি বিগত ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহযোগী দল হিসেবে কাজ করেছে। সংসদে কার্যত বিরোধী দলের আসনে বসে থাকলেও, প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ কোনো বাস্তব গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং তাদের নিছক স্বার্থ হাসিলে সাজানো নির্বাচনী নাটকের অংশ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সুশীল সমাজের অভিমত, বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে যুক্ত করা মানে একটি “নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন”কে বৈধতা দেওয়া। তারা মনে করেন, দেশের জনগণ এখন একটি সত্যিকার অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ ও লেভেল প্লেয়িং নিশ্চিত করে রোল মডেলের মাধ্যমে আড়াই হাজারের অধিক শহীদ ও ১৫ হাজারেরো অধিক পঙ্গুত্ব বরণকারী ‘২৪শের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের বিপ্লব এবং তারপরবর্তী ইউনুস সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় — যেখানে সব দলের সমান সুযোগ ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হবে।

তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের উচিত হবে প্রহসনমূলক নির্বাচন এড়িয়ে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় পার্টি কে নির্বাচন থেকে দূরে রেখে তাদের দ্বারা সৃষ্ট জাতীয় সমস্যার দৃষ্টান্ত মূলক আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ ও শাস্তি প্রদান করা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে যুক্ত করতে মরিয়া একটি পক্ষ — সুশীল সমাজের মন্তব্য

আপডেট সময় ০৯:২৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে যুক্ত করতে রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ একটি পক্ষ বিশেষভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

তাদের মতে, জাতীয় পার্টি বিগত ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহযোগী দল হিসেবে কাজ করেছে। সংসদে কার্যত বিরোধী দলের আসনে বসে থাকলেও, প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ কোনো বাস্তব গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং তাদের নিছক স্বার্থ হাসিলে সাজানো নির্বাচনী নাটকের অংশ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সুশীল সমাজের অভিমত, বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে যুক্ত করা মানে একটি “নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন”কে বৈধতা দেওয়া। তারা মনে করেন, দেশের জনগণ এখন একটি সত্যিকার অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ ও লেভেল প্লেয়িং নিশ্চিত করে রোল মডেলের মাধ্যমে আড়াই হাজারের অধিক শহীদ ও ১৫ হাজারেরো অধিক পঙ্গুত্ব বরণকারী ‘২৪শের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের বিপ্লব এবং তারপরবর্তী ইউনুস সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় — যেখানে সব দলের সমান সুযোগ ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত হবে।

তারা সতর্ক করে বলেন, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের উচিত হবে প্রহসনমূলক নির্বাচন এড়িয়ে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় পার্টি কে নির্বাচন থেকে দূরে রেখে তাদের দ্বারা সৃষ্ট জাতীয় সমস্যার দৃষ্টান্ত মূলক আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ ও শাস্তি প্রদান করা।