কক্সবাজার ১১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহেশখালীর উপকূলীয় বনভূমি দখল নিয়ে সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদের প্রতিবাদ

ওসমান কুতুবী
  • আপডেট সময় ০৮:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২৯০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া, হামিদারদিয়া, বড়দিয়া, লালদিয়া ও ঘটিভাঙ্গা এলাকায় উপকূলীয় প্যারাবন ধ্বংস করে চিংড়ি ঘের স্থাপন ও বিলাসবহুল কটেজ নির্মাণের উদ্দেশ্যে বনভূমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) এক প্রতিবাদলিপিতে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ. এইচ. এম. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, উপকূলীয় এই বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু একটি প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে এসব বনভূমি দখল করে প্রকৃতি ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রকৃত দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে প্রশাসন উল্টো নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সংসদ সদস্য নির্বাচনের আগে বনভূমি রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। এমনকি তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি চক্র বন দখলে জড়িত—এমন অভিযোগও তোলেন সাবেক এই এমপি।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ইতোমধ্যে বনভূমি দখলের ফলে ব্যাপকভাবে গাছপালা উজাড় হয়েছে, ধ্বংস হয়েছে প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র এবং বিলুপ্ত হয়েছে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল। এতে উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে গেছে, যা স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

ড. আযাদ অবিলম্বে অবৈধ দখল কার্যক্রম বন্ধ, দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, দখলকৃত বনভূমি উদ্ধার এবং পুনঃবনায়নের দাবি জানান। পাশাপাশি প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মহেশখালীর উপকূলীয় বনভূমি দখল নিয়ে সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০৮:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া, হামিদারদিয়া, বড়দিয়া, লালদিয়া ও ঘটিভাঙ্গা এলাকায় উপকূলীয় প্যারাবন ধ্বংস করে চিংড়ি ঘের স্থাপন ও বিলাসবহুল কটেজ নির্মাণের উদ্দেশ্যে বনভূমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) এক প্রতিবাদলিপিতে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ. এইচ. এম. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, উপকূলীয় এই বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু একটি প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে এসব বনভূমি দখল করে প্রকৃতি ধ্বংসে লিপ্ত রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রকৃত দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে প্রশাসন উল্টো নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সংসদ সদস্য নির্বাচনের আগে বনভূমি রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। এমনকি তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি চক্র বন দখলে জড়িত—এমন অভিযোগও তোলেন সাবেক এই এমপি।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ইতোমধ্যে বনভূমি দখলের ফলে ব্যাপকভাবে গাছপালা উজাড় হয়েছে, ধ্বংস হয়েছে প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র এবং বিলুপ্ত হয়েছে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল। এতে উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে গেছে, যা স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

ড. আযাদ অবিলম্বে অবৈধ দখল কার্যক্রম বন্ধ, দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, দখলকৃত বনভূমি উদ্ধার এবং পুনঃবনায়নের দাবি জানান। পাশাপাশি প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।