কক্সবাজার ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০১:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৮৮ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতিসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরীত পাশে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

 

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরীত পাশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ছাত্রশিবির একটি মিছিলের আয়োজন করে। এসময় মিছিলে বহিরাগতদের উপস্থিতির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

 

সংঘর্ষের পর দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদল দাবি করেছে, বহিরাগতদের এনে তাদের ওপর আগে হামলা চালানো হয়েছিল। বর্তমানে ক্যাম্পাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০১:৪০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ‘অদম্য জুলাই’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতিসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরীত পাশে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

 

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরীত পাশে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ছাত্রশিবির একটি মিছিলের আয়োজন করে। এসময় মিছিলে বহিরাগতদের উপস্থিতির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

 

সংঘর্ষের পর দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে। ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদল দাবি করেছে, বহিরাগতদের এনে তাদের ওপর আগে হামলা চালানো হয়েছিল। বর্তমানে ক্যাম্পাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।