কক্সবাজার ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেলনা নয়, প্লাস্টিক যাবে রিসাইক্লিংয়ে—কক্সবাজার কমার্স কলেজে ইউএনডিপির নতুন উদ্যোগ

শহিদুল ইসলাম
  • আপডেট সময় ০৭:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১২ বার পড়া হয়েছে

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শুধু সচেতনতা নয়, বাস্তব ব্যবস্থাও চালু হলো কক্সবাজার কমার্স কলেজে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ইউএনডিপি বাংলাদেশ কলেজটিকে বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় রিসাইক্লিং উদ্যোক্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করেছে।

 

নির্দিষ্ট সময়সূচিতে পৃথক করা প্লাস্টিক সংগ্রহ করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে পাঠানো হবে।

 

সোমবার আয়োজিত কর্মসূচিতে ১৩৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী অংশ নেন। এতে প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতি, উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। কলেজে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যের জন্য দেওয়া হয়েছে ১২০ লিটার ধারণক্ষমতার পৃথক বিন।

 

কর্মসূচিতে Reduce, Reuse, Recover ও Recycle—4R কাঠামোর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়। ছিল হাতে-কলমে বর্জ্য পৃথকীকরণ, কুইজ ও পরিবেশ শপথ। কলেজ প্রশাসনের কাছে শ্রেণিকক্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৃথক বিন স্থাপন, প্লাস্টিক আলাদাভাবে সংগ্রহকারীর কাছে হস্তান্তর এবং সপ্তাহে একদিন পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পরিচালনার অঙ্গীকার নেওয়া হয়।

 

কলেজের অধ্যক্ষ মো. জসীম উদ্দিন বলেন, প্লাস্টিকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কলেজ কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাবে। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর খালেকও প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

 

দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ইউএনডিপি বাংলাদেশের বাস্তবায়নে এবং ইপসার স্থানীয় সহযোগিতায় ‘প্লাস্টিকস সার্কুলারিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় ক্যাম্পেইনটি টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে সংগৃহীত প্লাস্টিকের পরিমাণ নিয়মিত নথিভুক্ত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

শুধু সচেতনতা তৈরি নয়, প্লাস্টিক বর্জ্যকে সঠিকভাবে পৃথক করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের উদ্যোগ—কক্সবাজার কমার্স কলেজে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নতুন দৃষ্টান্ত। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্লাস্টিক ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও টেকসই ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেলনা নয়, প্লাস্টিক যাবে রিসাইক্লিংয়ে—কক্সবাজার কমার্স কলেজে ইউএনডিপির নতুন উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৭:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শুধু সচেতনতা নয়, বাস্তব ব্যবস্থাও চালু হলো কক্সবাজার কমার্স কলেজে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক দূষণ কমাতে ইউএনডিপি বাংলাদেশ কলেজটিকে বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় রিসাইক্লিং উদ্যোক্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করেছে।

 

নির্দিষ্ট সময়সূচিতে পৃথক করা প্লাস্টিক সংগ্রহ করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে পাঠানো হবে।

 

সোমবার আয়োজিত কর্মসূচিতে ১৩৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী অংশ নেন। এতে প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতি, উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। কলেজে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যের জন্য দেওয়া হয়েছে ১২০ লিটার ধারণক্ষমতার পৃথক বিন।

 

কর্মসূচিতে Reduce, Reuse, Recover ও Recycle—4R কাঠামোর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়। ছিল হাতে-কলমে বর্জ্য পৃথকীকরণ, কুইজ ও পরিবেশ শপথ। কলেজ প্রশাসনের কাছে শ্রেণিকক্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৃথক বিন স্থাপন, প্লাস্টিক আলাদাভাবে সংগ্রহকারীর কাছে হস্তান্তর এবং সপ্তাহে একদিন পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পরিচালনার অঙ্গীকার নেওয়া হয়।

 

কলেজের অধ্যক্ষ মো. জসীম উদ্দিন বলেন, প্লাস্টিকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কলেজ কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাবে। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর খালেকও প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

 

দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ইউএনডিপি বাংলাদেশের বাস্তবায়নে এবং ইপসার স্থানীয় সহযোগিতায় ‘প্লাস্টিকস সার্কুলারিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় ক্যাম্পেইনটি টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রতিটি ক্যাম্পাসে সংগৃহীত প্লাস্টিকের পরিমাণ নিয়মিত নথিভুক্ত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

শুধু সচেতনতা তৈরি নয়, প্লাস্টিক বর্জ্যকে সঠিকভাবে পৃথক করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের উদ্যোগ—কক্সবাজার কমার্স কলেজে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নতুন দৃষ্টান্ত। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্লাস্টিক ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও টেকসই ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।