কক্সবাজার ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“একবিংশ শতাব্দীতে এসেও শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।” – শামসুল আলম বাহাদুর

এমএ বাপ্পি
  • আপডেট সময় ১২:৫০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৪০৮ বার পড়া হয়েছে

 

কক্সবাজার জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নিবন্ধিত শ্রমিক সংগঠন কক্সবাজার জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হামিদ হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা সভাপতি শামসুল আলম বাহাদুর।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-
জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপদেষ্টা আল-আমিন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম,
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন,
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক, এম ইউ বাহাদুর,
কক্সবাজার দোকান কর্মচারী ইউনিয়ননের
সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন,
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার শহর শাখার
প্রচার ও মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক এম এ মাসুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুল আলম বাহাদুর বলেন- “পৃথিবীর ইতিহাস হাজার হাজার বছরের পুরোনো, কিন্তু এখনো শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে
“দুনিয়ার মজদূুর এক হও লড়াই করো”
এ স্লোগান দিতে হয়। শ্রমিকরা সমাজে প্রতিনিয়ত অবহেলিত, নিগৃহীত। প্রতিনিয়ত তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। কেবল ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তনায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় সম্ভব। তাই আসুন, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনে ভুমিকা রাখি।
আমি আশা করি, এ সংগঠন একদিন পুরো জেলাব্যাপী শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ করে তাদের অধিকার আদায়ে অভিভাবকের ভুমিকা পালন করবে।”

উপদেষ্টা আল আমিন মু. সিরাজুল ইসলাম বলেন-
“ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিকরা হচ্ছে –
আলোকোজ্জ্বল সমাজ, দেশ তথা
আমাদের ঘর আলোকিত করার কারিগর।
শহরের বড় বড় ইমারত গুলো ইলেক্ট্রিশিয়ান
শ্রমিকরাই আলোকিত করে থাকেন। সোনালী সমাজ বিনির্মানে ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য । তাই ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনে ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিকদের এগিয়ে এসে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে হবে এবং আগামীতে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার আহ্বান জানাই।”

বিশেষ অতিথি মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন বলেন-
“সৃষ্টিগতভাবে মানুষ একাকী বসবাস করতে পারে না। মানুষ সংঘবদ্ধ থাকতে অভ্যস্ত। সংঘবদ্ধ জাতিই সফল হয়। শ্রমিকরা যখন সমস্যায় পড়ে, তখন সে মানুষটির পাশে এসে দাঁড়ায় শ্রমিক সংগঠন। তার পূর্ণ অধিকার আদায়ে সংঘবদ্ধভাবে সংগঠন প্রচেষ্টা চালায়। তাই প্রিয় ভাইয়েরা আসুন, সবাই ইলেকট্রিশিান শ্রমিক ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে ও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হই।”

এছাড়াও আরও উপস্থিত কক্সবাজার জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

“একবিংশ শতাব্দীতে এসেও শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।” – শামসুল আলম বাহাদুর

আপডেট সময় ১২:৫০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

 

কক্সবাজার জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নিবন্ধিত শ্রমিক সংগঠন কক্সবাজার জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হামিদ হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা সভাপতি শামসুল আলম বাহাদুর।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-
জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপদেষ্টা আল-আমিন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম,
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন,
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক, এম ইউ বাহাদুর,
কক্সবাজার দোকান কর্মচারী ইউনিয়ননের
সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন,
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার শহর শাখার
প্রচার ও মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক এম এ মাসুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুল আলম বাহাদুর বলেন- “পৃথিবীর ইতিহাস হাজার হাজার বছরের পুরোনো, কিন্তু এখনো শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে
“দুনিয়ার মজদূুর এক হও লড়াই করো”
এ স্লোগান দিতে হয়। শ্রমিকরা সমাজে প্রতিনিয়ত অবহেলিত, নিগৃহীত। প্রতিনিয়ত তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। একবিংশ শতাব্দীতে এসেও শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। কেবল ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তনায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় সম্ভব। তাই আসুন, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনে ভুমিকা রাখি।
আমি আশা করি, এ সংগঠন একদিন পুরো জেলাব্যাপী শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ করে তাদের অধিকার আদায়ে অভিভাবকের ভুমিকা পালন করবে।”

উপদেষ্টা আল আমিন মু. সিরাজুল ইসলাম বলেন-
“ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিকরা হচ্ছে –
আলোকোজ্জ্বল সমাজ, দেশ তথা
আমাদের ঘর আলোকিত করার কারিগর।
শহরের বড় বড় ইমারত গুলো ইলেক্ট্রিশিয়ান
শ্রমিকরাই আলোকিত করে থাকেন। সোনালী সমাজ বিনির্মানে ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য । তাই ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনে ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিকদের এগিয়ে এসে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে হবে এবং আগামীতে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার আহ্বান জানাই।”

বিশেষ অতিথি মাওলানা মুহাম্মদ মহসিন বলেন-
“সৃষ্টিগতভাবে মানুষ একাকী বসবাস করতে পারে না। মানুষ সংঘবদ্ধ থাকতে অভ্যস্ত। সংঘবদ্ধ জাতিই সফল হয়। শ্রমিকরা যখন সমস্যায় পড়ে, তখন সে মানুষটির পাশে এসে দাঁড়ায় শ্রমিক সংগঠন। তার পূর্ণ অধিকার আদায়ে সংঘবদ্ধভাবে সংগঠন প্রচেষ্টা চালায়। তাই প্রিয় ভাইয়েরা আসুন, সবাই ইলেকট্রিশিান শ্রমিক ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে ও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হই।”

এছাড়াও আরও উপস্থিত কক্সবাজার জেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ।