কক্সবাজার ০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৭:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / ১০১ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেলের মধ্যে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযান চলাকালে ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত একটি পার্সেল সন্দেহজনক মনে হলে সেটি খুলে পরীক্ষা করা হয়। এ সময় স্পিকারের ভেতরের বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ অপসারণ করে কালো স্কচ টেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

 

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর জন্য কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। কুরিয়ার কোম্পানির তথ্য পর্যালোচনায় পার্সেল বহনকারী এক রাইডারের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্সেল জমা দিয়েই তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

 

এ ঘটনায় পলাতক আসামি হিসেবে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. জামালকে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পার্সেলের প্রকৃত মালিক, প্রেরক এবং সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও সংশ্লিষ্ট আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযানে কুরিয়ার সার্ভিস থেকে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট সময় ০৭:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিজিবির পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় অবস্থিত স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেলের মধ্যে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ও টেকনাফ মডেল থানার পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযান চলাকালে ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত একটি পার্সেল সন্দেহজনক মনে হলে সেটি খুলে পরীক্ষা করা হয়। এ সময় স্পিকারের ভেতরের বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ অপসারণ করে কালো স্কচ টেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

 

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর জন্য কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। কুরিয়ার কোম্পানির তথ্য পর্যালোচনায় পার্সেল বহনকারী এক রাইডারের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্সেল জমা দিয়েই তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

 

এ ঘটনায় পলাতক আসামি হিসেবে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. জামালকে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পার্সেলের প্রকৃত মালিক, প্রেরক এবং সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

 

উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও সংশ্লিষ্ট আলামত নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।