কক্সবাজার ০৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়ানোর পর কুমিল্লার ধানক্ষেতে মিলল ম’রদে’হ

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০২:১১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) লালমাই উপজেলার কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর (মানুমুড়া) এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ম’রদে’হটি উ’দ্ধা’র করা হয়।

 

নি’হ’ত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। বাবার চাকরির সুবাদে কুমিল্লায় বেড়ে ওঠা তাজমিন কুমিল্লার ফরিদা বিদ্যায়তনে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, চার দিন আগে তাজমিন এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে যায়। সেখান থেকে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয় তাজমিন। রাতে তার বাবা আবদুল আলীম মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেন। কিন্তু কল রিসিভ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উ’দ্বি’গ্ন হয়ে পড়েন।

 

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ধানক্ষেতে ম’রদে’হ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। একই স্থানে একটি সিএনজি অটোরিকশা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। খবর পেয়ে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাজমিনের বাবা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের ম’রদে’হ শনাক্ত করেন।

 

ফরিদা বিদ্যায়াতনের প্রধান শিক্ষক হানিফ বলেন, তাজমিন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। তবে গত মার্চ মাস থেকে সে অন্য একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছে।

 

লালমাই থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, মৃ’ত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ম’রদে’হ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের একাধিক সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে বেড়ানোর পর কুমিল্লার ধানক্ষেতে মিলল ম’রদে’হ

আপডেট সময় ০২:১১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) লালমাই উপজেলার কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর (মানুমুড়া) এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ম’রদে’হটি উ’দ্ধা’র করা হয়।

 

নি’হ’ত জান্নাতুল তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামের আবদুল আলীমের মেয়ে। বাবার চাকরির সুবাদে কুমিল্লায় বেড়ে ওঠা তাজমিন কুমিল্লার ফরিদা বিদ্যায়তনে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, চার দিন আগে তাজমিন এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে যায়। সেখান থেকে বুধবার রাতে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয় তাজমিন। রাতে তার বাবা আবদুল আলীম মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেন। কিন্তু কল রিসিভ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উ’দ্বি’গ্ন হয়ে পড়েন।

 

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ধানক্ষেতে ম’রদে’হ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। একই স্থানে একটি সিএনজি অটোরিকশা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। খবর পেয়ে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তাজমিনের বাবা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের ম’রদে’হ শনাক্ত করেন।

 

ফরিদা বিদ্যায়াতনের প্রধান শিক্ষক হানিফ বলেন, তাজমিন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। তবে গত মার্চ মাস থেকে সে অন্য একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছে।

 

লালমাই থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, মৃ’ত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ম’রদে’হ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশের একাধিক সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে।