কক্সবাজার ০৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি সরকারের আমলে ৮ দফা এলপিজির দাম পরিবর্তন, নিট বেড়েছে ৪৮১ টাকা

বিশেষ প্রতিবেদন
  • আপডেট সময় ০৮:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আট দফায় পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে চার দফায় দাম বাড়ানো এবং চার দফায় কমানো হয়েছে। সব মিলিয়ে এই সময়ে ১২ কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম নিট বেড়েছে ৪৮১ টাকা বা প্রায় ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

 

ফেব্রুয়ারিতে ১২ কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। ভ্যাট-সংক্রান্ত সমন্বয়ের পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।

 

এরপর এপ্রিল মাসে এলপিজির দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা যায়। ২ এপ্রিল ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। মাত্র ১৭ দিন পর ১৯ এপ্রিল আবার ২১২ টাকা বাড়িয়ে দাম করা হয় ১ হাজার ৯৪০ টাকা। অর্থাৎ এপ্রিলের দুই দফায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছিল মোট ৫৯৯ টাকা।

 

পরবর্তী সময়ে জুনে দাম ৫৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা এবং জুলাইয়ে আরও ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা করা হয়। আগস্টে আবার ৭০ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৫৯৮ টাকা। সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা কমিয়ে দাম নামানো হয় ১ হাজার ৫৮৫ টাকায়।

 

সর্বশেষ ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

মূল্য পরিবর্তনের হিসাব অনুযায়ী, এই সময়ে চার দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে—এপ্রিলের ২ তারিখে ৩৮৭ টাকা, ১৯ এপ্রিল ২১২ টাকা, আগস্টে ৭০ টাকা এবং ৪ অক্টোবর ২৫২ টাকা। এতে মোট বৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯২১ টাকা।

 

অন্যদিকে চার দফায় দাম কমানো হয়েছে—ফেব্রুয়ারিতে ১৫ টাকা, জুনে ৫৫ টাকা, জুলাইয়ে ৩৫৭ টাকা এবং সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা। মোট হ্রাস ৪৪০ টাকা।

 

ফলে মোট বৃদ্ধি থেকে মোট হ্রাস বাদ দিলে নিট বৃদ্ধি দাঁড়ায় ৪৮১ টাকা। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির ১ হাজার ৩৫৬ টাকা থেকে ৪ অক্টোবরের ১ হাজার ৮৩৭ টাকা—১২ কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম বেড়েছে ৪৮১ টাকা, যা প্রায় ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

 

এ সময়ে সর্বোচ্চ নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৯৪০ টাকা, যা এপ্রিল মাসে কার্যকর ছিল। মে মাসে অবশ্য এলপিজির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

 

এলপিজির দামের এই ধারাবাহিক পরিবর্তনের ফলে বছরের বিভিন্ন সময়ে ভোক্তাদের জন্য রান্নার জ্বালানির ব্যয়ের ওপরও এর প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে এপ্রিল ও অক্টোবরের বড় দফার মূল্যবৃদ্ধি নতুন করে এলপিজির বাজারদর ও ভোক্তা ব্যয় নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপি সরকারের আমলে ৮ দফা এলপিজির দাম পরিবর্তন, নিট বেড়েছে ৪৮১ টাকা

আপডেট সময় ০৮:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আট দফায় পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে চার দফায় দাম বাড়ানো এবং চার দফায় কমানো হয়েছে। সব মিলিয়ে এই সময়ে ১২ কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম নিট বেড়েছে ৪৮১ টাকা বা প্রায় ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

 

ফেব্রুয়ারিতে ১২ কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। ভ্যাট-সংক্রান্ত সমন্বয়ের পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।

 

এরপর এপ্রিল মাসে এলপিজির দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা যায়। ২ এপ্রিল ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। মাত্র ১৭ দিন পর ১৯ এপ্রিল আবার ২১২ টাকা বাড়িয়ে দাম করা হয় ১ হাজার ৯৪০ টাকা। অর্থাৎ এপ্রিলের দুই দফায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছিল মোট ৫৯৯ টাকা।

 

পরবর্তী সময়ে জুনে দাম ৫৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা এবং জুলাইয়ে আরও ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা করা হয়। আগস্টে আবার ৭০ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৫৯৮ টাকা। সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা কমিয়ে দাম নামানো হয় ১ হাজার ৫৮৫ টাকায়।

 

সর্বশেষ ৪ অক্টোবর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

মূল্য পরিবর্তনের হিসাব অনুযায়ী, এই সময়ে চার দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে—এপ্রিলের ২ তারিখে ৩৮৭ টাকা, ১৯ এপ্রিল ২১২ টাকা, আগস্টে ৭০ টাকা এবং ৪ অক্টোবর ২৫২ টাকা। এতে মোট বৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯২১ টাকা।

 

অন্যদিকে চার দফায় দাম কমানো হয়েছে—ফেব্রুয়ারিতে ১৫ টাকা, জুনে ৫৫ টাকা, জুলাইয়ে ৩৫৭ টাকা এবং সেপ্টেম্বরে ১৩ টাকা। মোট হ্রাস ৪৪০ টাকা।

 

ফলে মোট বৃদ্ধি থেকে মোট হ্রাস বাদ দিলে নিট বৃদ্ধি দাঁড়ায় ৪৮১ টাকা। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির ১ হাজার ৩৫৬ টাকা থেকে ৪ অক্টোবরের ১ হাজার ৮৩৭ টাকা—১২ কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম বেড়েছে ৪৮১ টাকা, যা প্রায় ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

 

এ সময়ে সর্বোচ্চ নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৯৪০ টাকা, যা এপ্রিল মাসে কার্যকর ছিল। মে মাসে অবশ্য এলপিজির দাম অপরিবর্তিত ছিল।

 

এলপিজির দামের এই ধারাবাহিক পরিবর্তনের ফলে বছরের বিভিন্ন সময়ে ভোক্তাদের জন্য রান্নার জ্বালানির ব্যয়ের ওপরও এর প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে এপ্রিল ও অক্টোবরের বড় দফার মূল্যবৃদ্ধি নতুন করে এলপিজির বাজারদর ও ভোক্তা ব্যয় নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।