রামুর বাঁখালী নদী থেকে ডেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের মহা উৎসব

- আপডেট সময় ১২:০০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের রামুতে বাঁকখালী নদীর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মনিরঝিলসহ বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাতের আঁধারে ড্রেজার মেশিন ও নৌকা ব্যবহার করে নদী থেকে বালু তোলা হচ্ছে। এতে একদিকে ড্রেজারের বিকট শব্দে নদীপাড়ের মানুষ রাতে ঘুমাতে পারছেন না, অন্যদিকে নদীভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দিনের বেলায় বালু উত্তোলনের তৎপরতা তুলনামূলক কম দেখা গেলেও রাত ৮টা থেকে ভোর পর্যন্ত চলে বালু তোলার কার্যক্রম। উত্তোলিত বালু বিভিন্ন নির্মাণকাজে সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বাঁকখালী নদী কক্সবাজার অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর একটি। নদীটি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য, কৃষি, যোগাযোগ ও মানুষের জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। কিন্তু অপরিকল্পিত ও অতিরিক্ত বালু উত্তোলন নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, তলদেশের গঠন এবং তীরের স্থিতিশীলতার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষ করে মনিরঝিল এলাকার নদীপাড়ের বাসিন্দারা ফসলি জমি ও বসতবাড়ি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়বে এবং মূল্যবান জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।
এ অবস্থায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত, রাতের বেলায় নিয়মিত নজরদারি এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের হুঁশিয়ারি: প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এলাকাবাসী নিজেরাই প্রতিবাদে নামতে বাধ্য হবেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তবে পরিস্থিতি যেন সংঘাতের দিকে না যায়, সে জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ: উপজেলা প্রশাসন, রামু, কক্সবাজার—বাঁকখালী নদীর কাউয়ারখোপের মনিরঝিলসহ সংশ্লিষ্ট পয়েন্টগুলোতে বালু উত্তোলনের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।



















