চকরিয়ার শাহারবিলে মাদক ও জুয়াবিরোধী সচেতনতামূলক ম্যারাথন

- আপডেট সময় ০৮:০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ২২ বার পড়া হয়েছে
মাদক ও জুয়াখেলার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার শাহারবিল ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো সচেতনতামূলক ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সামাজিক সংগঠন ‘শাহারবিল ইসলামী ছাত্র ও যুব পরিষদ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।
প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আসা শিক্ষার্থী, যুবক, শ্রমিক, শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
শাহারবিল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়। বাটাখালী, মাইজঘোনা, পরিষদ চত্বর, ফাঁড়ির ঠোডা ও শাহারবিল বাজার হয়ে প্রায় চার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে প্রতিযোগীরা পুনরায় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে পৌঁছান। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রতিযোগী দৌড় সম্পন্ন করে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করেন।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন শাহারবিল ইউনিয়নের মাইজঘোনার রেজাউল মেম্বারের ছেলে শহীদ জিয়া। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন প্রবাসী হাফেজ শহীদের বড় ছেলে তাহসিন। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন যৌথভাবে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে আসা তাশরিক উর নূর, পটিয়ার ইলিয়াস ইমন এবং শাহারবিলের মোহাম্মদ হোছাইন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রত্যেক প্রতিযোগীর জন্য টি-শার্ট, নাশতা ও মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
সংগঠনের সভাপতি শেফায়াত হোছাইন বলেন, ‘শাহারবিল ইসলামী ছাত্র ও যুব পরিষদ একটি সামাজিক ও মানবিক সংগঠন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি মানবকল্যাণে কাজ করে আসছে। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ত্রাণ ও ইফতার বিতরণ, কুইজ ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, ফুটবল টুর্নামেন্ট, সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল, ফ্রি মেডিসিন কর্নার এবং শিক্ষক, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও কৃষক সংবর্ধনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুবসমাজকে মাদক ও জুয়াখেলা থেকে বিরত রাখা এবং এ বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে। এর আগেও ঈদ উপলক্ষে মাদক ও জুয়াবিরোধী সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ এগিয়ে নিতে এলাকার সচেতন মহলের পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করছি।’
সংশ্লিষ্টদের মতে, তরুণদের খেলাধুলা ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে মাদক ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সুস্থ সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতেও সহায়ক হবে।



















