কক্সবাজার ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সরকারি ভর্তুকির এলপিজি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না কেন— তদন্তের দাবি ড. হামিদ আযাদের

ভর্তুকি জনগণের অধিকার—সিন্ডিকেটের মুনাফা নয়

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ১১:৩০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪ বার পড়া হয়েছে

বার্তা পরিবেশক:

১২ কেজি সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য ৭৭৭ টাকা হলেও সাধারণ মানুষ কেন এ সুবিধা পাচ্ছেন না, সে প্রশ্ন তুলে সরকারি এলপিজি বিতরণব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।

 

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি সরকারি ভর্তুকিমূল্যের এলপিজি বিতরণে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানান।

 

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ১২ কেজি সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ৭৭৭ টাকা, অথচ বেসরকারি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, বছরে বাজারে ছাড়া ১৮–২০ লাখ সরকারি সিলিন্ডারের একটি বড় অংশ নির্ধারিত গ্রাহকদের কাছে না পৌঁছে কথিত ‘কাগুজে ডিলার’ ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেসরকারি কোম্পানির গুদামে চলে যায়। পরে সেগুলো পুনরায় রিফিল করে ২,০০০ থেকে ২,২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হয়। এতে প্রতিবছর সরকারের অন্তত ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে।

 

ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের অর্থে ভর্তুকি দেওয়া হলেও সেই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছে কোনো অসাধু চক্রের মুনাফার উৎসে পরিণত হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি ভর্তুকির মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের ব্যয়ভার কমানো; তাই এ সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।

 

তিনি সরকারি এলপিজি বিতরণব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং ভর্তুকিমূল্যের সিলিন্ডার সাধারণ মানুষের প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।

 

তিনি আরও বলেন, “ভর্তুকি জনগণের অধিকার—সিন্ডিকেটের মুনাফা নয়।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি ভর্তুকির এলপিজি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না কেন— তদন্তের দাবি ড. হামিদ আযাদের

ভর্তুকি জনগণের অধিকার—সিন্ডিকেটের মুনাফা নয়

আপডেট সময় ১১:৩০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বার্তা পরিবেশক:

১২ কেজি সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য ৭৭৭ টাকা হলেও সাধারণ মানুষ কেন এ সুবিধা পাচ্ছেন না, সে প্রশ্ন তুলে সরকারি এলপিজি বিতরণব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।

 

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি সরকারি ভর্তুকিমূল্যের এলপিজি বিতরণে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানান।

 

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ১২ কেজি সরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ৭৭৭ টাকা, অথচ বেসরকারি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, বছরে বাজারে ছাড়া ১৮–২০ লাখ সরকারি সিলিন্ডারের একটি বড় অংশ নির্ধারিত গ্রাহকদের কাছে না পৌঁছে কথিত ‘কাগুজে ডিলার’ ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেসরকারি কোম্পানির গুদামে চলে যায়। পরে সেগুলো পুনরায় রিফিল করে ২,০০০ থেকে ২,২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হয়। এতে প্রতিবছর সরকারের অন্তত ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে।

 

ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের অর্থে ভর্তুকি দেওয়া হলেও সেই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছে কোনো অসাধু চক্রের মুনাফার উৎসে পরিণত হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি ভর্তুকির মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের ব্যয়ভার কমানো; তাই এ সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।

 

তিনি সরকারি এলপিজি বিতরণব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং ভর্তুকিমূল্যের সিলিন্ডার সাধারণ মানুষের প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন।

 

তিনি আরও বলেন, “ভর্তুকি জনগণের অধিকার—সিন্ডিকেটের মুনাফা নয়।”