কক্সবাজার ০৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনেক প্রতীক্ষার পর জরাজীর্ণ রাস্তার মেরামতে মানুষের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৩:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার সদর উপজেলার অন্তর্গত চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে

“অনেক প্রতীক্ষার পর জরাজীর্ণ রাস্তার মেরামতে মানুষের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ”

তুফায়েল আহমদ
কক্সবাজার সদর (চৌফলদন্ডী) প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সদর উপজেলার অন্তর্গত চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ৫,৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে একটি চলাচল উপযোগী রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে। বহু বছর ধরে কাঁচা ও ভাঙ্গাচোড়া সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে আবাল ,বৃদ্ধ, স্কুল মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী সহ এলাকাবাসীর চরম দুর্দশা যেন নিয়তির খেলা ছিল। নিয়তির এই খেলা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী নুর মোহাম্মদ এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি তার মেধা ও শ্রম দিয়ে জার্মানি অর্থায়নে এলজিইডি প্রকল্পের এই রাস্তাটি সংস্কারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর’২৫, রবিবার সকাল ১০টার সময় চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলমের শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে ৭নং ওয়ার্ড উত্তর পাড়া হতে ৫নং ওয়ার্ড আলিয়া পাড়া পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশায় হাল ফেরানোর কাজের শুভ সূচনা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় ইউপি সদস্য আমানুল হক মেম্বার, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী নুর মুহাম্মদ, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাষ্টার কামাল উদ্দীন সহ স্থানীয় মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয়রা বলেন- জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবক নূর মোহাম্মদ এর প্রচেষ্টায় অবশেষে রাস্তা পাকাকরণের কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে দেখে এলাকার লোকজনের মাঝে স্বস্তির লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করেন, রাস্তাটি সংস্কারের কাজ দ্রুত শেষ হলে- প্রতিদিনের মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স বা গাড়ি চলাচলেও আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মনজুর আলম বলেন- “এ রাস্তা নির্মাণ শুধু যাতায়াত সহজ করবে না, বরং এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম সহজ হবে। এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে এ কাজটি শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

এলাকাবাসী রাস্তাটি নির্মাণ হওয়ায় দাতা সংস্থা, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়নে রাস্তাটি করে দেওয়ার দাবিও জানান।

২০১৯ সাল থেকে প্রসেসিং হওয়া রাস্তা টি হতে দেখে তিন ওয়ার্ডের মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের বন্যা পরিলক্ষিত হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অনেক প্রতীক্ষার পর জরাজীর্ণ রাস্তার মেরামতে মানুষের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সদর উপজেলার অন্তর্গত চৌফলদন্ডী ইউনিয়নে

“অনেক প্রতীক্ষার পর জরাজীর্ণ রাস্তার মেরামতে মানুষের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ”

তুফায়েল আহমদ
কক্সবাজার সদর (চৌফলদন্ডী) প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সদর উপজেলার অন্তর্গত চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ৫,৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে যাচ্ছে একটি চলাচল উপযোগী রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে। বহু বছর ধরে কাঁচা ও ভাঙ্গাচোড়া সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে আবাল ,বৃদ্ধ, স্কুল মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী সহ এলাকাবাসীর চরম দুর্দশা যেন নিয়তির খেলা ছিল। নিয়তির এই খেলা থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী নুর মোহাম্মদ এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি তার মেধা ও শ্রম দিয়ে জার্মানি অর্থায়নে এলজিইডি প্রকল্পের এই রাস্তাটি সংস্কারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর’২৫, রবিবার সকাল ১০টার সময় চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলমের শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে ৭নং ওয়ার্ড উত্তর পাড়া হতে ৫নং ওয়ার্ড আলিয়া পাড়া পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশায় হাল ফেরানোর কাজের শুভ সূচনা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় ইউপি সদস্য আমানুল হক মেম্বার, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী নুর মুহাম্মদ, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাষ্টার কামাল উদ্দীন সহ স্থানীয় মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয়রা বলেন- জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবক নূর মোহাম্মদ এর প্রচেষ্টায় অবশেষে রাস্তা পাকাকরণের কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে দেখে এলাকার লোকজনের মাঝে স্বস্তির লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা মনে করেন, রাস্তাটি সংস্কারের কাজ দ্রুত শেষ হলে- প্রতিদিনের মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবী মানুষ ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স বা গাড়ি চলাচলেও আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মনজুর আলম বলেন- “এ রাস্তা নির্মাণ শুধু যাতায়াত সহজ করবে না, বরং এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম সহজ হবে। এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে এ কাজটি শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

এলাকাবাসী রাস্তাটি নির্মাণ হওয়ায় দাতা সংস্থা, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধি সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়নে রাস্তাটি করে দেওয়ার দাবিও জানান।

২০১৯ সাল থেকে প্রসেসিং হওয়া রাস্তা টি হতে দেখে তিন ওয়ার্ডের মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের বন্যা পরিলক্ষিত হয়েছে।