কক্সবাজার ০১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুরআনের আলোকে সমাজ বিনির্মান করেই জাতিকে মুক্তি দিতে হবে: অধ্যক্ষ আনোয়ারী

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৬:১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২২৮ বার পড়া হয়েছে

উখিয়া প্রতিনিধি:
“কুরআনের আলো মানুষকে সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করে দেয়। কুরআনের জ্ঞান অর্জনকারীরা যদি সমাজ-রাষ্ট্র বিনির্মান ও পরিচালনায় কাজ করে তাহলে এই বাংলাদেশ একটি সত্যিকারের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়াবে।” বলে মন্তব্য করেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) উখিয়ার মরিচ্যায় মা’হাদ আল ফুরকান মাদরাসার হিফজ সম্মাননা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন “মহান আল্লাহ তায়ালার অমেয় বাণী হচ্ছে আল কুরআন। কুরআনের শিক্ষাই হচ্ছে জাগতিক ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র সুপান। আমি আজ ৩ তালেবে কুরআনের কথা বলতে চাই, তার একজন হচ্ছে হাফেজ ডাক্তার মুজিবুল হক চট্টগ্রাম মেডিকেলে সুনামের সহিত কর্মরত। সে আমার সরাসরি ছাত্র মজিদিয়া মাদরাসায়। আরেকজন ড. মমতাজ উদ্দীন কাদেরী তিনি দেশ বরেণ্য প্রফেসর তিনিও রঙ্গিখালী মাদরাসার ছাত্র। আরেকজন হজ্জে বায়তুল্লাহর খুতবা বাংলায় অনুবাদ করেন মাওলানা ওয়াহিদুর রহমান মাক্কী, সেও রঙ্গিখালী মাদরাসায় আমার ছাত্র। এভাবে করে জগতের প্রায় সকল সেক্টরে কুরআনের ছাত্ররা তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আজকে আমাদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালা ইসলাম প্রচার-প্রসারের অপার সুযোগ দান করেছেন। আমাদেরকে এই নেয়ামত যথাযথ কাজে লাগাতে হবে। আর এই ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হচ্ছে আল কুরআনের জ্ঞান অর্জন করা। আজকে মা’হাদ আল ফুরকানের হিফজ সম্মাননা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এসে আমরা আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে আরেক ধাপ আশাবাদি হলাম। কুরআনের আলো মানুষকে সত্য ও মিথ্যার পথ পার্থক্য করে দেয়। কুরআনের জ্ঞান অর্জনকারীরা যদি সমাজ ও রাষ্ট্র, বিনির্মান ও পরিচালনায় কাজ করে তাহলে আমার এই সোনার বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ সত্যিকারের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়াবে।”

অনুষ্ঠানে হিফজ বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা কুরআন শিক্ষার প্রসার, নৈতিক সমাজ গঠন ও ইসলামী শিক্ষার উন্নয়নে মা’হাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুরআনের আলোকে সমাজ বিনির্মান করেই জাতিকে মুক্তি দিতে হবে: অধ্যক্ষ আনোয়ারী

আপডেট সময় ০৬:১১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া প্রতিনিধি:
“কুরআনের আলো মানুষকে সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করে দেয়। কুরআনের জ্ঞান অর্জনকারীরা যদি সমাজ-রাষ্ট্র বিনির্মান ও পরিচালনায় কাজ করে তাহলে এই বাংলাদেশ একটি সত্যিকারের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়াবে।” বলে মন্তব্য করেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।

আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) উখিয়ার মরিচ্যায় মা’হাদ আল ফুরকান মাদরাসার হিফজ সম্মাননা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন “মহান আল্লাহ তায়ালার অমেয় বাণী হচ্ছে আল কুরআন। কুরআনের শিক্ষাই হচ্ছে জাগতিক ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র সুপান। আমি আজ ৩ তালেবে কুরআনের কথা বলতে চাই, তার একজন হচ্ছে হাফেজ ডাক্তার মুজিবুল হক চট্টগ্রাম মেডিকেলে সুনামের সহিত কর্মরত। সে আমার সরাসরি ছাত্র মজিদিয়া মাদরাসায়। আরেকজন ড. মমতাজ উদ্দীন কাদেরী তিনি দেশ বরেণ্য প্রফেসর তিনিও রঙ্গিখালী মাদরাসার ছাত্র। আরেকজন হজ্জে বায়তুল্লাহর খুতবা বাংলায় অনুবাদ করেন মাওলানা ওয়াহিদুর রহমান মাক্কী, সেও রঙ্গিখালী মাদরাসায় আমার ছাত্র। এভাবে করে জগতের প্রায় সকল সেক্টরে কুরআনের ছাত্ররা তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলছেন।”

তিনি আরও বলেন, “আজকে আমাদেরকে মহান আল্লাহ তায়ালা ইসলাম প্রচার-প্রসারের অপার সুযোগ দান করেছেন। আমাদেরকে এই নেয়ামত যথাযথ কাজে লাগাতে হবে। আর এই ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হচ্ছে আল কুরআনের জ্ঞান অর্জন করা। আজকে মা’হাদ আল ফুরকানের হিফজ সম্মাননা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এসে আমরা আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে আরেক ধাপ আশাবাদি হলাম। কুরআনের আলো মানুষকে সত্য ও মিথ্যার পথ পার্থক্য করে দেয়। কুরআনের জ্ঞান অর্জনকারীরা যদি সমাজ ও রাষ্ট্র, বিনির্মান ও পরিচালনায় কাজ করে তাহলে আমার এই সোনার বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ সত্যিকারের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়াবে।”

অনুষ্ঠানে হিফজ বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা কুরআন শিক্ষার প্রসার, নৈতিক সমাজ গঠন ও ইসলামী শিক্ষার উন্নয়নে মা’হাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।