অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের উদাসীনতা জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে: মুহাম্মদ শাহজাহান

- আপডেট সময় ০৫:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২৩৪ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার:
কক্সবাজার শহর ও সদর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড প্রতিনিধি সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, “অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের দৃশ্যমান উদাসীনতা জনমনে গভীর অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।” তিনি বলেন, কক্সবাজারসহ সারাদেশে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ ও নিয়মিত অভিযান পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এতে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
মুহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। আর তার প্রথম শর্ত হলো অবৈধ অস্ত্রের সম্পূর্ণ নির্মূল এবং সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি।” তিনি অবিলম্বে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কঠোর ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বার্থে প্রশাসনকে অবশ্যই দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যথায় জনমনে যে অসন্তোষ জমে উঠছে, তা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটে রূপ নিতে পারে। জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন ফারুকীর সভাপতিত্বে জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর মুফতী মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা দেলাওয়ার হোছাইন। উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক খুরশিদ আলম আনসারী, নায়েবে আমীর মাওলানা মোস্তাক আহমদ, সেক্রেটারি আজিজুর রহমান, কক্সবাজার শহর নায়েবে আমীর কফিল উদ্দিন চৌধুরী, সেক্রেটারি রিয়াজ মুহাম্মদ শাকিল, কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল, শহর জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রশীদ, মুহাম্মদ শহীদুল্লাহসহ কক্সবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলার ওয়ার্ড-ইউনিয়ন সভাপতি সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর অভিযান, নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
























