উখিয়ার শীলখালীতে প্রাইভেটকারে পাচারকালে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ১

- আপডেট সময় ১০:২২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২৬৩ বার পড়া হয়েছে
উখিয়া প্রতিনিধি
কক্সবাজারের উখিয়ার শীলখালী এলাকায় প্রাইভেটকারযোগে ইয়াবা পাচারকালে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর হাতে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন পাচারকারী আটক হয়েছে।
আটক ব্যক্তি টেকনাফ থানাধীন শাহপরীর দ্বীপ ডাংগার পাড়া গ্রামের মৃত সাব্বির আহমদের ছেলে জাবেদ (২০)। এ সময় মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) আনুমানিক বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী প্রাইভেটকার শীলখালী অস্থায়ী চেকপোস্টে পৌঁছালে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় বিজিবি-১০৬৫ নম্বর প্রশিক্ষিত ডগ ‘হেনরি’ (নারকোটিক্স, পুরুষ, ল্যাব্রাডর) ব্যবহার করা হয়।
তল্লাশিকালে ডগ হেনরির সহায়তায় প্রাইভেটকার চালকের সিটের নিচে লুকানো অবস্থায় নীল রঙের কাপড়ে মোড়ানো দুইটি পোটলা উদ্ধার করা হয়। পোটলাগুলো খুলে মোট ৮ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় প্রাইভেটকার চালক জাবেদকে আটক করা হয়। তার পরিচয়— পিতা: মৃত সাব্বির আহমদ, গ্রাম: শাহপরীর দ্বীপ ডাংগার পাড়া, ডাকঘর: সাবরাং, থানা: টেকনাফ, জেলা: কক্সবাজার।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আসামি স্বীকার করেছে যে, সে টেকনাফ থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে কক্সবাজারে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, জি, অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক সরবরাহকারী ও জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা, জব্দকৃত প্রাইভেটকার এবং গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম দমনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে আসছে। মাদকবিরোধী এসব অভিযানে টেকনাফ ও উখিয়াবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরে আসছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।























