কক্সবাজার ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী দায়িত্বে গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ১০:৪০:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২২৩ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে সরকার। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য কিংবা ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা-বিশেষ বিধান আইন, ১৯৯১’-এর ধারা ও বিধান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে আইনটির বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগও এর আওতাধীন সকল অধিদপ্তর, দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে পত্র পাঠিয়েছে। এতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য না দেখানোর বিষয়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন মন্ত্রণালয়ের পত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক শিক্ষকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এ দায়িত্বে নিয়োজিত হতে পারেন।

নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সবাই আইন অনুযায়ী ‘নির্বাচন কর্মকর্তা’ হিসেবে গণ্য হবেন এবং তারা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা-বিশেষ বিধান আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনী দায়িত্বে গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আপডেট সময় ১০:৪০:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে সরকার। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য কিংবা ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা-বিশেষ বিধান আইন, ১৯৯১’-এর ধারা ও বিধান সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে আইনটির বিধান কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগও এর আওতাধীন সকল অধিদপ্তর, দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে পত্র পাঠিয়েছে। এতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য না দেখানোর বিষয়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন মন্ত্রণালয়ের পত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক শিক্ষকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এ দায়িত্বে নিয়োজিত হতে পারেন।

নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত সবাই আইন অনুযায়ী ‘নির্বাচন কর্মকর্তা’ হিসেবে গণ্য হবেন এবং তারা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা-বিশেষ বিধান আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।