কক্সবাজার ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৮:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৩৯৬ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

ঢাকা: বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন সংগঠন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া টাকা চাঁদা হিসেবে গণ্য করা যাবে না, তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা দিলে তাকে চাঁদাবাজি বলা হবে।

 

মন্ত্রী বলেন, সড়কে যে “চাঁদা” বলে সাধারণত আলোচিত হয়, সেটাকে তিনি চাঁদাবাজি হিসেবে দেখেন না। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতি তাদের সদস্যদের কল্যাণে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করে থাকে, যা এক ধরনের সমঝোতা ভিত্তিক ব্যবস্থা। এর ফলে যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি চাঁদা নয় বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন।

 

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদি কেউ টাকা দিতে না চায় অথচ তাকে দিতে বাধ্য করা হয়, তাহলে সেটাই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টি থাকবে যেন কেউ কেউ বঞ্চিত না হয় এবং কোনো অর্থ অপব্যবহার না হয়।

 

মন্ত্রী আরও বলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থানে কেউ প্রভাব দেখিয়ে বা চাপ প্রয়োগ করে টাকা নিতে পারবে না এবং সেজন্য মনিটরিং ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

 

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মন্ত্রীর মন্তব্যের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, যেখানে কেউ এই মন্তব্যকে সমালোচনাও করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা: বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে বিভিন্ন পরিবহন সংগঠন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে নেওয়া টাকা চাঁদা হিসেবে গণ্য করা যাবে না, তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা দিলে তাকে চাঁদাবাজি বলা হবে।

 

মন্ত্রী বলেন, সড়কে যে “চাঁদা” বলে সাধারণত আলোচিত হয়, সেটাকে তিনি চাঁদাবাজি হিসেবে দেখেন না। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতি তাদের সদস্যদের কল্যাণে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করে থাকে, যা এক ধরনের সমঝোতা ভিত্তিক ব্যবস্থা। এর ফলে যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি চাঁদা নয় বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন।

 

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদি কেউ টাকা দিতে না চায় অথচ তাকে দিতে বাধ্য করা হয়, তাহলে সেটাই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টি থাকবে যেন কেউ কেউ বঞ্চিত না হয় এবং কোনো অর্থ অপব্যবহার না হয়।

 

মন্ত্রী আরও বলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্থানে কেউ প্রভাব দেখিয়ে বা চাপ প্রয়োগ করে টাকা নিতে পারবে না এবং সেজন্য মনিটরিং ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

 

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মন্ত্রীর মন্তব্যের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, যেখানে কেউ এই মন্তব্যকে সমালোচনাও করেছেন।