কক্সবাজার ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণ ফিরে পাচ্ছে সামরাইখাল

এম এ বাপ্পি
  • আপডেট সময় ০৮:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নাব্য সংকটে মৃতপ্রায় হয়ে পড়া কক্সবাজার বাকখালী নদীর প্রধান শাখানদী সামরাইখাল এখন আবার প্রাণ ফিরে পেতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, খালটি পুনঃখনন ও পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে এবং কৃষি ও মৎস্যখাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর পলি জমে সামরাইখালের বিভিন্ন অংশ ভরাট হয়ে যায়। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো এবং শুকনো মৌসুমে খালে পানি থাকতো না বললেই চলে। ফলে কৃষি জমি, মাছের উৎপাদন ও বর্ষার পানি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

 

সম্প্রতি কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে খাল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হলে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। খালের বিভিন্ন অংশে খনন কার্যক্রম চলমান থাকায় পানি চলাচল বাড়ছে এবং আশপাশের পরিবেশেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

 

এলাকাবাসী মনে করছেন, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও দখলমুক্ত রাখা গেলে সামরাইখাল আবারও এ অঞ্চলের কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রাণ ফিরে পাচ্ছে সামরাইখাল

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

দীর্ঘদিনের অবহেলা ও নাব্য সংকটে মৃতপ্রায় হয়ে পড়া কক্সবাজার বাকখালী নদীর প্রধান শাখানদী সামরাইখাল এখন আবার প্রাণ ফিরে পেতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, খালটি পুনঃখনন ও পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে এবং কৃষি ও মৎস্যখাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর পলি জমে সামরাইখালের বিভিন্ন অংশ ভরাট হয়ে যায়। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো এবং শুকনো মৌসুমে খালে পানি থাকতো না বললেই চলে। ফলে কৃষি জমি, মাছের উৎপাদন ও বর্ষার পানি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

 

সম্প্রতি কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে খাল পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হলে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। খালের বিভিন্ন অংশে খনন কার্যক্রম চলমান থাকায় পানি চলাচল বাড়ছে এবং আশপাশের পরিবেশেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

 

এলাকাবাসী মনে করছেন, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও দখলমুক্ত রাখা গেলে সামরাইখাল আবারও এ অঞ্চলের কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।