কক্সবাজার ১২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের সামনে থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্পোরালকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৭:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্পোরাল আলমগীর হোসেন আলমকে ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের সামনে থেকে তুলে নিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের সামনে থেকে একদল দুর্বৃত্ত তাঁকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাঁকে বাংলা বাজার সুইচ গেইট এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

 

আহত আলমগীর হোসেন আলম বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, হামলার আশঙ্কায় কয়েকদিন আগে তিনি কক্সবাজার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

 

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁরা এ ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

তবে হামলার কারণ এবং জড়িতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের সামনে থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্পোরালকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:৩৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্পোরাল আলমগীর হোসেন আলমকে ঝিলংজা আর্মি ক্যাম্পের সামনে থেকে তুলে নিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের সামনে থেকে একদল দুর্বৃত্ত তাঁকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাঁকে বাংলা বাজার সুইচ গেইট এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

 

আহত আলমগীর হোসেন আলম বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, হামলার আশঙ্কায় কয়েকদিন আগে তিনি কক্সবাজার সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।

 

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁরা এ ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

 

তবে হামলার কারণ এবং জড়িতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।