এক অফিসে প্রায় ৩ বছর, বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা খালেদা বেগম

- আপডেট সময় ০৫:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / ৮ বার পড়া হয়েছে
এক কর্মস্থলে প্রায়, বেপরোয়া আচরণের অভিযোগ সেবা প্রার্থীদের। সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্য আচরণ ও নিজের পদবিকে কর্মকুত্তা বলে ব্যাঙ্গ করে সতর্ক করেছিলেন তৎকালীন সহকারী কমিশনার ভূমি রুপায়ন দেব। একের পর এক বিতর্কিত কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ জনগণ।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে (ভারপ্রাপ্ত) তহশিলদার খালেদা বেগমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ভূমিসেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি, কাজের দীর্ঘসূত্রতা এবং নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।
সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ নিয়ম মেনে কাজ করতে গেলেই নানা অজুহাত, স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমি অফিসে নামজারি, খাজনা প্রদান, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ানসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গিয়ে অনেকেই বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করার পরও কখনো কাগজপত্রের ঘাটতি, কখনো অন্য অজুহাতে সেবাপ্রার্থীদের দিনের পর দিন অফিসে ঘোরানোর অভিযোগ রয়েছে।
নুরুল করিম নামের এক ভুক্তভোগীর দাবি, সাধারণ মানুষ সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়ে সেবা নিতে গেলেও অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের চাপ তৈরি করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবা দ্রুত করে দেওয়ার কথা বলে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের কিছু কর্মকাণ্ডে ওই চক্রের প্রভাব রয়েছে। ভূমি অফিসে সেবার প্রতিটি ধাপ, সরকারি ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা প্রকাশ্যে টানিয়ে দিলে হয়রানি অনেকাংশে কমবে।
চিরিংগা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত তহসিলদার) খালেদা বেগম বলেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়, পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিউল আলম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভূমি অফিসে সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
















