কক্সবাজার ০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি

এইচ.এম. সবুজ
  • আপডেট সময় ১০:০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০৫ বার পড়া হয়েছে

চকরিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষা প্রায় ৫ শতক জমিতে অবৈধভাবে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটি ইউনিয়ন পরিষদের খতিয়ানভুক্ত সরকারি সম্পত্তি। সম্প্রতি একটি পক্ষ সেখানে দ্রুতগতিতে স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তারা মনে করেন, সরকারি জমি দখলের এ প্রচেষ্টা বন্ধ না হলে ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি স্থায়ীভাবে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা বলেন, “সরকারি জমি দখলের এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

বিষয়টি  ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক চকরিয়া উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা রুপায়ন দেবকে গত ৬ নভেম্বর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এরপর তিনি পরিষদের দায়িত্বরত সচিব হুমায়ুন কবিরকে নির্মান কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

এদিকে দুসপ্তাহ পেরেলো ও কোন অশুভ শক্তিদ্বারা নির্মান কাজ চলমান। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে যেন একজন সার্ভেয়ার এর মাধ্যমে জায়গার পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। ততদিন পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হুমায়ুন কবিরকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই বলে জানান।

অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বলেন সরকারি জমিতে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসী চকরিয়া উপজেলার ইউএনও, এসিল্যান্ড, ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় কঠোর নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ সময়ের দাবি।।

নিউজটি শেয়ার করুন

চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ: প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি

আপডেট সময় ১০:০৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

চকরিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষা প্রায় ৫ শতক জমিতে অবৈধভাবে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটি ইউনিয়ন পরিষদের খতিয়ানভুক্ত সরকারি সম্পত্তি। সম্প্রতি একটি পক্ষ সেখানে দ্রুতগতিতে স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

তারা মনে করেন, সরকারি জমি দখলের এ প্রচেষ্টা বন্ধ না হলে ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি স্থায়ীভাবে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল মোস্তফা বলেন, “সরকারি জমি দখলের এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

বিষয়টি  ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক চকরিয়া উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা রুপায়ন দেবকে গত ৬ নভেম্বর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এরপর তিনি পরিষদের দায়িত্বরত সচিব হুমায়ুন কবিরকে নির্মান কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

এদিকে দুসপ্তাহ পেরেলো ও কোন অশুভ শক্তিদ্বারা নির্মান কাজ চলমান। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে যেন একজন সার্ভেয়ার এর মাধ্যমে জায়গার পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। ততদিন পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হুমায়ুন কবিরকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই বলে জানান।

অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বলেন সরকারি জমিতে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসী চকরিয়া উপজেলার ইউএনও, এসিল্যান্ড, ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় কঠোর নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ সময়ের দাবি।।