টেকনাফে ১৪৪ ঘন্টায় ৬ অভিযানে ৪ লাখ ৪২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ১০

- আপডেট সময় ১০:৩০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
টেকনাফ প্রতিনিধি:
নাফ নদী ও সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলা মাদক চোরাচালান, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ ও মানব পাচার দমনে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) ধারাবাহিক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। গত ১৪৪ ঘণ্টায় টানা ৬টি পৃথক অভিযানে মোট ৪,৪১,৯২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ ও ১০ জন পাচারকারীকে আটক করে আইনের হাতে সোপর্দ করে।
এরই অংশ হিসেবে গত ২৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে, অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার সহায়তায় মায়ানমার দিক থেকে দুই ব্যক্তিকে নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে সীমান্তে থাকা বিজিবির নৌ-টহল দল দ্রুত অভিযান চালায়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা হাতে থাকা দুইটি পলিথিন প্যাকেট পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে ডুব সাঁতার দিয়ে মায়ানমারের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে নদী থেকে উদ্ধার করা পলিথিন ব্যাগ দুইটিতে অভিনব কৌশলে মোড়ানো ৫৭,৮০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
পরদিন ২৪ নভেম্বর ভোর ৬ টার দিকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দমদমিয়া ও বড়ইতলীর বিপরীতে নাফ নদীতে কৌশলগত অবস্থানে ছিল ২ বিজিবির টহল দল। ভোরের আলো ওঠার সময় একটি নৌকা জেলের ছদ্মবেশে বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখে বিজিবি সেটিকে ঘিরে ফেলে। নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা। এ সময় ১ জনকে আটক করা সম্ভব হলেও নৌকায় থাকা অপর তিন জন নদী সাঁতরে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
আটককৃত ব্যক্তি: মো. হাকিম আলী (৫৪), পিতা: মৃত ইব্রাহিম, সাং: মাংগালা, মংডু, মায়ানমার।
পলাতক: মো. জালাল (২৫), পিতা: কালা মিয়া, সাং: উলু সামারি, হ্নীলা ইউনিয়ন, টেকনাফ। অজ্ঞাত আরও ২–৩ জন।
২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি টেকনাফ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক ও মানব পাচার দমনে ২ বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
আটক আসামি ও জব্দ মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হচ্ছে।
























