নিজ নির্বাচনী এলাকায় কাল থেকে গণসংযোগে নামছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ

- আপডেট সময় ০১:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
দীর্ঘ ১৪ বছর পর নিজ নির্বাচনী এলাকা কক্সবাজার-১ (২৯৪) (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে ফিরছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও চকরিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক জানান—দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর এটিই সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম নির্বাচনকেন্দ্রিক সফর। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি দীর্ঘদিন নিয়মিত এলাকায় আসতে পারেননি। তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আসন্ন কর্মসূচি ঘিরে দলীয় নেতা–কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছেন। সেখান থেকে চকরিয়া অভিমুখে যাত্রাকালে খুটাখালী, মালুমঘাট ও ডুলাহাজারা ইউনিয়নে গণসংযোগ করবেন। এছাড়া বিকাল ৩টায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রশিদ আহমদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল পথসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রেস সচিব মো. ছফওয়ানুল করিম বলেন, “এটি পুরোপুরি একটি নির্বাচনকেন্দ্রিক সফর। তিনি প্রায় এক সপ্তাহ নিজ বাড়িতে অবস্থান করবেন এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে মানুষের মতামত শুনবেন, এলাকার সমস্যা-সমাধান নিয়ে আলোচনা করবেন।”
এদিকে তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে চকরিয়া ও পেকুয়া জুড়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক এবং সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া গণসংযোগের রুটম্যাপ ও সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গেছে।
পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম. বাহাদুর শাহ এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইনও প্রতিটি ইউনিয়নে নেতা-কর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ সক্রিয় করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইকবাল হোছাইন বলেন, “প্রায় ১৪ বছর পর নিজের গ্রামে এসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ করছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এটি আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। আমরা চাই প্রতিটি ওয়ার্ডে তাঁর কর্মসূচি সফল হোক।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন—এই সফর চকরিয়া-পেকুয়ার রাজনীতিতে নতুন উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করবে এবং দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। সাধারণ মানুষও নেতার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর সাথে সরাসরি দেখা করার।
























