কক্সবাজার ১১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ত্রাণ নয়, স্থায়ী বেড়িবাঁধই বন্যা থেকে মুক্তির পথ’ — শাহেদ ইকবাল সুমন

এম এ সবুজ
  • আপডেট সময় ০৯:২৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • / ১০৯ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরুত্যাখালীর সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী শাহেদ ইকবাল সুমন বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য কয়েকশ টাকার ত্রাণ সাময়িক স্বস্তি দিলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। বন্যা থেকে স্থায়ীভাবে মানুষকে রক্ষা করতে দ্রুত টেকসই ও শক্তিশালী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

 

তিনি বলেন, প্রতিবছর টানা বৃষ্টিপাত ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তাই শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্যা ও নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 

গত ৯ জুলাই মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছালে কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুত্যাখালী খইন্নারকুম বেড়িবাঁধ রক্ষায় নিজ অর্থায়নে জরুরি মেরামতকাজ পরিচালনা করেন শাহেদ ইকবাল সুমন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সারারাত বেড়িবাঁধ পাহারাও দেন।

 

স্থানীয়দের দাবি, পুরুত্যাখালী পূর্বপাড়া সংলগ্ন খইন্নারকুম বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেলে মাতামুহুরী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ত। তাদের ভাষ্য, শাহেদ ইকবাল সুমনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগ না থাকলে জানমাল ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত।

 

শাহেদ ইকবাল সুমন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্থায়ী অবকাঠামোগত সমাধানই পারে ভবিষ্যতে এলাকার মানুষকে বারবার বন্যার দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করতে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‘ত্রাণ নয়, স্থায়ী বেড়িবাঁধই বন্যা থেকে মুক্তির পথ’ — শাহেদ ইকবাল সুমন

আপডেট সময় ০৯:২৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরুত্যাখালীর সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী শাহেদ ইকবাল সুমন বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য কয়েকশ টাকার ত্রাণ সাময়িক স্বস্তি দিলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। বন্যা থেকে স্থায়ীভাবে মানুষকে রক্ষা করতে দ্রুত টেকসই ও শক্তিশালী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

 

তিনি বলেন, প্রতিবছর টানা বৃষ্টিপাত ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তাই শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্যা ও নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 

গত ৯ জুলাই মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছালে কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুত্যাখালী খইন্নারকুম বেড়িবাঁধ রক্ষায় নিজ অর্থায়নে জরুরি মেরামতকাজ পরিচালনা করেন শাহেদ ইকবাল সুমন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি সারারাত বেড়িবাঁধ পাহারাও দেন।

 

স্থানীয়দের দাবি, পুরুত্যাখালী পূর্বপাড়া সংলগ্ন খইন্নারকুম বেড়িবাঁধটি ভেঙে গেলে মাতামুহুরী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ত। তাদের ভাষ্য, শাহেদ ইকবাল সুমনের তাৎক্ষণিক উদ্যোগ না থাকলে জানমাল ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত।

 

শাহেদ ইকবাল সুমন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্থায়ী অবকাঠামোগত সমাধানই পারে ভবিষ্যতে এলাকার মানুষকে বারবার বন্যার দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করতে।