চকরিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সাংবাদিকসহ ৩ জনের উপর হামলা

- আপডেট সময় ০৭:০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২০ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাংয়ে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় সাংবাদিক মামুন, সাজ্জাদ ও মো:আশেক সহ তিন জনের ওপর হামলা করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। হামলায় গুরুতর আহত সাজ্জাদ। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের হারবাং স্টেশনে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হারবাং এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা কর আসছিল একটি চক্র, এলাকাবাসী সহযোগিতায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও মাদক ব্যবসায়ী ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার জেরে সাজ্জাদকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার উপর হামলা চালায়,খবর পেয়ে মামুন ও আশেক সাজ্জাদ কে বাঁচাতে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের উপর ও হামলা চালায়।
পরে এলাকাবাসী উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসলে সাজ্জাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। মামুন ও আশেক চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায় শনিবার দুপুর ২:৩০ ঘটিকার সময় হারবাং স্টেশন সংলগ্ন মহাসড়কে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে সংবাদকর্মী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাজ্জাদ ও মো: আশেকের ওপর হামলা করে এতে হামলায় সাজ্জাদ গুরুতর আহত হয়।
ভুক্তভোগী জানান দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান সফল করতে হারবাং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায়, মাদক ব্যবসায়ী মো: বেলাল, কফিল উদ্দিন, শফিউল আলম এর নেতৃত্বে১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে দেশিয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে হামলা করে হামলায় তিনজন আহত হয়, এতে সাজ্জাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চট্টগ্রামে প্রেরণা করা হয়। এবিষয়ে চকরিয়া থানায় একটি এজাহারও দেয়ের করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী অরো বলেন, এলাকায় মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে তাঁদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান মাদক সমাজ ও সমাজের মানুষ কে ধ্বংস করে,মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় হামলার শিখার হয়েছেন এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















