চকরিয়ায় পানি, স্যানিটেশন, ফুটপাত ও নদীতীর উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের দাবি

- আপডেট সময় ০৭:৪৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১০ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহ, আধুনিক স্যানিটেশন ও পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্রধান সড়কে লাইটিংসহ ফুটপাত নির্মাণ এবং মাতামুহুরী নদীর তীরে রেলিংসহ ওয়াকওয়ে নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।
এসব দাবিতে ২০ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাছে পৃথক লিখিত আবেদন করেছেন জাতীয় দৈনিক ভোরের ডাকের চকরিয়া সংবাদদাতা, গণমাধ্যমকর্মী ও সমাজকর্মী মো. সাঈদী আকবর ফয়সাল।
আবেদনে চকরিয়া পৌরসভায় নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে পানি শোধনাগার, সংরক্ষণাগার ও পাইপলাইন স্থাপন বা সম্প্রসারণ এবং নিয়মিত পানির গুণগত মান পরীক্ষার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, জনসমাগমস্থলে স্বাস্থ্যসম্মত গণশৌচাগার এবং পরিকল্পিত বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া উৎস পর্যায়ে বর্জ্য পৃথকীকরণ, জৈব বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের উদ্যোগ গ্রহণ এবং কারিগরি সমীক্ষার মাধ্যমে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চকরিয়া পৌর সদরের মাতামুহুরী সেতু পয়েন্ট থেকে ভাঙ্গারমুখ স্টেশন পর্যন্ত প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিকল্পিত ফুটপাত নির্মাণ ও আধুনিক সড়কবাতি স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে। আবেদনে বলা হয়, ব্যস্ততম এ সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পথচারী চলাচল করলেও পর্যাপ্ত ফুটপাত ও আলোকায়ন না থাকায় তাদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।

এ জন্য সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় স্থান নির্ধারণ করে পরিকল্পিত ফুটপাত নির্মাণ ও আধুনিক সড়কবাতি স্থাপনের সমন্বয়ে প্রকল্প গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে, চকরিয়ার মাতামুহুরী ব্রিজের অংশ থেকে বেতুয়াবাজার ব্রিজ পর্যন্ত নদীতীরে টেকসই বাঁধ, রেলিং ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের দাবিও জানানো হয়েছে। আবেদনকারীর মতে, পরিকল্পিতভাবে নদীতীর সংরক্ষণ ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হলে স্থানীয়দের জন্য নিরাপদ হাঁটার স্থান, বিনোদনের সুযোগ এবং দৃষ্টিনন্দন জনপরিসর সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে নদীতীর সংরক্ষণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এসব উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন পরিদর্শন, কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।



















