কক্সবাজার ১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিজানকে ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা তদন্তের দাবি

ফারদিন ফাইজান
  • আপডেট সময় ০৮:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৯ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে ‘অটোরিকশা থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি মিজান আটক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমি, মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

 

প্রকাশিত সংবাদে আমার স্বামীকে মাদক কারবারি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আমার কাছে অত্যন্ত আপত্তিকর। আমার অভিযোগ, ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার স্বামীর কাছ থেকে জোরপূর্বক মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। অথচ আমার দাবি, উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত মালিক তারেক নামের এক ব্যক্তি। তাকে ছেড়ে দিয়ে আমার স্বামীকে এ ঘটনায় জড়ানো হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি।

 

এ ছাড়া, একই ঘটনা নিয়ে দুইবার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। প্রথমবার ধারণ করা ভিডিওটি মুছে ফেলে দ্বিতীয় ভিডিওটি প্রচার করা হয়েছে বলে আমি গুরুতর অভিযোগ করছি। কেন দুইবার ভিডিও ধারণ করা হলো এবং প্রথম ভিডিওটি কেন মুছে ফেলা হলো—এ বিষয়গুলোও নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

 

আমি মনে করি, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের বিকল্প নেই। উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত মালিকানা, তারেক নামের ব্যক্তির ভূমিকা, আমার স্বামীর সংশ্লিষ্টতা এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁর কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় যথাযথভাবে খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

 

একই সঙ্গে, ভিডিও ধারণ ও প্রচারের পুরো প্রক্রিয়াটি তদন্ত করে প্রথম ভিডিওটি মুছে ফেলার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি, প্রকাশিত সংবাদে কোনো ভুল, অসম্পূর্ণ বা অসমর্থিত তথ্য থাকলে তা সংশোধন করে সঠিক তথ্য প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

একজন স্ত্রী হিসেবে আমি আমার স্বামীর ন্যায়বিচার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানাচ্ছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটিত হোক এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার না হন—এটাই আমার প্রত্যাশা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মিজানকে ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ০৮:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে ‘অটোরিকশা থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি মিজান আটক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমি, মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

 

প্রকাশিত সংবাদে আমার স্বামীকে মাদক কারবারি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আমার কাছে অত্যন্ত আপত্তিকর। আমার অভিযোগ, ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার স্বামীর কাছ থেকে জোরপূর্বক মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। অথচ আমার দাবি, উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত মালিক তারেক নামের এক ব্যক্তি। তাকে ছেড়ে দিয়ে আমার স্বামীকে এ ঘটনায় জড়ানো হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি।

 

এ ছাড়া, একই ঘটনা নিয়ে দুইবার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। প্রথমবার ধারণ করা ভিডিওটি মুছে ফেলে দ্বিতীয় ভিডিওটি প্রচার করা হয়েছে বলে আমি গুরুতর অভিযোগ করছি। কেন দুইবার ভিডিও ধারণ করা হলো এবং প্রথম ভিডিওটি কেন মুছে ফেলা হলো—এ বিষয়গুলোও নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

 

আমি মনে করি, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের বিকল্প নেই। উদ্ধার হওয়া মাদকের প্রকৃত মালিকানা, তারেক নামের ব্যক্তির ভূমিকা, আমার স্বামীর সংশ্লিষ্টতা এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁর কাছ থেকে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় যথাযথভাবে খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

 

একই সঙ্গে, ভিডিও ধারণ ও প্রচারের পুরো প্রক্রিয়াটি তদন্ত করে প্রথম ভিডিওটি মুছে ফেলার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি, প্রকাশিত সংবাদে কোনো ভুল, অসম্পূর্ণ বা অসমর্থিত তথ্য থাকলে তা সংশোধন করে সঠিক তথ্য প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

একজন স্ত্রী হিসেবে আমি আমার স্বামীর ন্যায়বিচার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানাচ্ছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটিত হোক এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার না হন—এটাই আমার প্রত্যাশা।