প্রধান উপদেষ্টার সাথে আলোচনার সিদ্ধান্ত
আন্দোলনরত ৮ দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বৈঠক অনুষ্ঠিত

- আপডেট সময় ০৭:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
- / ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
জুলাই সনদের আইনী স্বীকৃতি ও জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট আয়োজনের দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা সারওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চানসহ ৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা জালাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মাওলানা ইউসুফ সাদিক হাক্কানী, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, নিজামুল হক প্রমুখ।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই সনদের আইনী স্বীকৃতি ও জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই গণভোটের দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে জনগণ আন্দোলন করছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বৈঠক শেষে নেতৃবৃন্দ চলমান আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে নিম্নোক্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন—
১️. আগামীকাল ১২ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হবে, যাতে ‘জুলাই সনদের আইনী স্বীকৃতি ও জাতীয় নির্বাচনের পূর্বেই গণভোট আয়োজন’ বিষয়ে আলোচনা করা যায়।
২️. প্রধান উপদেষ্টার সাথে আলোচনায় যদি এ বিষয়ে কোনো ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত না আসে, তবে আগামীকালই (১২ নভেম্বর) ৮ দলীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, সরকার জনগণের দাবিকে উপেক্ষা না করে সংলাপ ও সমঝোতার পথেই বর্তমান সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান করবে।

















