কক্সবাজার ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

এম এ বাপ্পি
  • আপডেট সময় ০৯:৩৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • / ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলা পপ ও রক সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী, মুক্তিযোদ্ধা এবং ‘পপগুরু’ নামে খ্যাত আজম খান-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১১ সালের ৫ জুন ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

বাংলাদেশে আধুনিক পপ ও রক সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে আজম খান বিশেষভাবে স্মরণীয়। স্বাধীনতার পর তিনি তাঁর ব্যতিক্রমী কণ্ঠ, জীবনঘনিষ্ঠ গান এবং তারুণ্যনির্ভর সংগীতধারার মাধ্যমে দেশের সংগীতাঙ্গনে নতুন যুগের সূচনা করেন। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘রেল লাইনের ওই বস্তিতে’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘ওরে সালেকা ওরে মালেকা’, ‘জীবনে কিছু পাবো না রে’ এবং ‘অভিমানী’।

 

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সংগীতের পাশাপাশি দেশপ্রেম ও সামাজিক সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে তিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

 

মৃত্যুর ১৫ বছর পরও তাঁর গান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সংগীত সংগঠন আজ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এই কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় ০৯:৩৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

বাংলা পপ ও রক সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী, মুক্তিযোদ্ধা এবং ‘পপগুরু’ নামে খ্যাত আজম খান-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১১ সালের ৫ জুন ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে তিনি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

বাংলাদেশে আধুনিক পপ ও রক সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে আজম খান বিশেষভাবে স্মরণীয়। স্বাধীনতার পর তিনি তাঁর ব্যতিক্রমী কণ্ঠ, জীবনঘনিষ্ঠ গান এবং তারুণ্যনির্ভর সংগীতধারার মাধ্যমে দেশের সংগীতাঙ্গনে নতুন যুগের সূচনা করেন। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘রেল লাইনের ওই বস্তিতে’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘ওরে সালেকা ওরে মালেকা’, ‘জীবনে কিছু পাবো না রে’ এবং ‘অভিমানী’।

 

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সংগীতের পাশাপাশি দেশপ্রেম ও সামাজিক সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে তিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

 

মৃত্যুর ১৫ বছর পরও তাঁর গান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সংগীত সংগঠন আজ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এই কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছে।