কক্সবাজার ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে অপহরণ বন্ধের দাবিতে আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থী সাইফুলের প্রতি আনোয়ারীর সংহতি

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৫:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • / ৯৮ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

টেকনাফে অপহরণ বন্ধের দাবিতে আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জিহাদীর প্রতি অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীর সংহতি

 

টেকনাফে চলমান অপহরণ, ডাকাতি, মানবপাচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমি অতীতেও সোচ্চার ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব, ইনশাআল্লাহ। কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠকে আমি বারবার টেকনাফের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছি, বক্তব্য রেখেছি এবং অপহরণ, ডাকাতি ও মানবপাচারের মতো জঘন্য অপরাধ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছি।

 

আজ টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের একজন শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জিহাদী টেকনাফের সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে টানা চার দিন ধরে আমরণ অনশন পালন করছেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই অনশন কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়; এটি টেকনাফের অসহায়, নির্যাতিত ও নিরাপত্তাহীন মানুষের পক্ষে একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক প্রতিবাদ।

 

একজন তরুণ শিক্ষার্থী নিজের জীবন ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিয়ে হাজারো মানুষের নিরাপত্তার দাবিতে অনশন করছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মানবিক। তাই আমি তার ন্যায্য দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছি।

 

আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, অনশনরত শিক্ষার্থীর দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে টেকনাফে অপহরণ, ডাকাতি, মানবপাচার ও সন্ত্রাস দমনে দ্রুত, কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। টেকনাফের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছে। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

 

আমি ঢাকায় অবস্থানরত উখিয়া-টেকনাফের সকল শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, পেশাজীবী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে এই ন্যায্য ও মানবিক দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করুন। এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের জীবন রক্ষার আন্দোলন।

 

আমার প্রত্যাশা, সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে টেকনাফকে অপহরণ, ডাকাতি ও মানবপাচারমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

 

আসুন, সবাই মিলে একটি অপহরণমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ টেকনাফ গড়ার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ হই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে অপহরণ বন্ধের দাবিতে আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থী সাইফুলের প্রতি আনোয়ারীর সংহতি

আপডেট সময় ০৫:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

টেকনাফে অপহরণ বন্ধের দাবিতে আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জিহাদীর প্রতি অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারীর সংহতি

 

টেকনাফে চলমান অপহরণ, ডাকাতি, মানবপাচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমি অতীতেও সোচ্চার ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব, ইনশাআল্লাহ। কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠকে আমি বারবার টেকনাফের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছি, বক্তব্য রেখেছি এবং অপহরণ, ডাকাতি ও মানবপাচারের মতো জঘন্য অপরাধ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছি।

 

আজ টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের একজন শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জিহাদী টেকনাফের সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে টানা চার দিন ধরে আমরণ অনশন পালন করছেন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই অনশন কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়; এটি টেকনাফের অসহায়, নির্যাতিত ও নিরাপত্তাহীন মানুষের পক্ষে একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক প্রতিবাদ।

 

একজন তরুণ শিক্ষার্থী নিজের জীবন ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিয়ে হাজারো মানুষের নিরাপত্তার দাবিতে অনশন করছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মানবিক। তাই আমি তার ন্যায্য দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছি।

 

আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, অনশনরত শিক্ষার্থীর দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে টেকনাফে অপহরণ, ডাকাতি, মানবপাচার ও সন্ত্রাস দমনে দ্রুত, কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। টেকনাফের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছে। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

 

আমি ঢাকায় অবস্থানরত উখিয়া-টেকনাফের সকল শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, পেশাজীবী ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে এই ন্যায্য ও মানবিক দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করুন। এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের জীবন রক্ষার আন্দোলন।

 

আমার প্রত্যাশা, সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে টেকনাফকে অপহরণ, ডাকাতি ও মানবপাচারমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

 

আসুন, সবাই মিলে একটি অপহরণমুক্ত, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ টেকনাফ গড়ার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ হই।