কক্সবাজারে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে ১ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা ও বিপুল চোরাচালান সামগ্রী উদ্ধার, আটক ১৭

- আপডেট সময় ০৮:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৫৬ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার এক্সপ্রেস ডেস্ক রিপোর্ট:
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী পৃথক অভিযানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ড বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট, খাদ্য ও নির্মাণ সামগ্রী জব্দ করেছে। এসব অভিযানে মোট ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
বিজিবির সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী এলাকায় ৬৪ ব্যাটালিয়ন বিজিবি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় এক লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. নুরুল আমিন (২৪) নামে এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেফতার করা হয়। সে বালুখালী এফডিএমএন ক্যাম্প-১১, ব্লক এ-১২ এর বাসিন্দা মীর আহমদের ছেলে।
৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি জানান, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় তিন কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই ইয়াবাগুলো মিয়ানমার থেকে আনা হচ্ছিল স্থানীয় পাইকারি কারবারিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।
অন্যদিকে, একইদিন সন্ধ্যায় কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল রেজুখাল চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে টেকনাফগামী একটি চান্দের গাড়ি থেকে ৪০,০০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মীর মোশাররফ হোসেন জিসান (২৮) নামে এক মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়। ৩৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডও পরিচালনা করেছে বড় ধরনের অভিযান। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে কোস্টগার্ডের পৃথক দুটি অভিযানে মায়ানমারগামী বিপুল পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য, নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য চোরাচালান পণ্যসহ ১৫ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়। কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালান দমনে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে মাদক পাচার রোধে সফলতা আসছে বলে তারা দাবি করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
























