আজ থেকে শুরু নির্বাচনী প্রচারণা, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

- আপডেট সময় ১১:১৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৩৭১ বার পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, যা চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ ও পথসভার মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠবেন। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নির্বাচন ঘিরে পুলিশসহ প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে পুলিশের প্রায় দেড় লাখ সদস্য, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন ছাড়াও বিজিবি, সশস্ত্র বাহিনী, র্যাব, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাঠে থাকবেন। নজরদারিতে ব্যবহার করা হবে ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরা।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ৪টি আসনে ১৮ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ
নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। আচরণবিধি অনুযায়ী—
১. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
২. এবার প্রথমবারের মতো পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
৩. পলিথিন ও রেকসিনের তৈরি কোনো প্রচার সামগ্রী ব্যবহার করা যাবে না।
৪. একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন, যার মাপ সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট।
৫. ব্যানার, লিফলেট ও ফেস্টুন হবে সাদা-কালো; ব্যানার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, ফেস্টুন ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি।
৬. প্রচার সামগ্রীতে নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা যাবে না; দলীয় প্রার্থীরা শুধু দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করতে পারবেন।
৭. যানবাহন নিয়ে শোডাউন, মিছিল কিংবা মশাল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৮. সড়ক ও জনপথে জনসভা করলে ব্যবস্থা নেবে ইসি; সভা আয়োজনের অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
৯. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের আগে সংশ্লিষ্ট আইডি ও পেজের তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।
১০. ঘৃণাত্মক, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর তথ্য বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অপব্যবহার করলে তা নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
ইসি জানিয়েছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও ইসির হাতে রয়েছে।
উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।




















