কক্সবাজার ১০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজা উদ্দিন

নিজস্ব সংবাদদাতা :
  • আপডেট সময় ০৯:৩৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131072

তরুণদের অগ্রগামী রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য প্রকাশিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাহাড়, সাগর ও সমতল বেষ্টিত চট্টগ্রামের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ এস এম সুজা উদ্দিন। তৃণমূল স্তরকে শক্তিশালী করা এবং বৈচিত্র্যময় ভূ-রাজনীতিকে এক সুতোয় গাঁথার লক্ষ্যে তাঁকে এই নতুন দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

 

এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনকালে সুজা উদ্দিনের নেতৃত্বে এক অভূতপূর্ব সাংগঠনিক জোয়ার তৈরি হয়। তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের লক্ষ্মীপুর থেকে শুরু করে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক জেলায় সফলভাবে আহ্বায়ক ও নির্বাহী কমিটি সম্পন্ন করেন।

 

বিশেষ করে তিন পার্বত্য জেলা ও সমুদ্র উপকূলবর্তী কক্সবাজারে অভূতপূর্ব রাজনৈতিক কর্মসূচি ও ব্যতিক্রমী প্রোগ্রাম আয়োজনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে একটি নতুন ধারার ‘বে অব বেঙ্গল পলিটিক্স’ বা বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক ভাবনার সূচনা করেন। পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সংসদীয় আসনে (এমপি ইলেকশন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুবাদে এই অঞ্চলে তাঁর একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং নিবিড় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। ওই সময়ে তাঁর অভিনব এবং বৈচিত্র্যময় প্রচার কৌশল পুরো পাহাড়ি অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিল এবং তৃণমূল মানুষের মাঝে এনসিপির ভিত গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল।

 

দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এএসএম সুজা উদ্দিন বলেন, “আমাদের এই ভৌগোলিক অঞ্চলটি (চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চল) কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার রাজনৈতিক ময়দান যেমন আলাদা, তেমনি এখানকার বৈচিত্র্যময় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অধিকার ও তাদের অভ্যন্তরীণ আলাপের ধরনও সম্পূর্ণ ভিন্ন।”

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, “পাহাড়ে বা সমতলে জোরপূর্বক কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। এখানে সফল হতে হলে পুরোপুরি ‘জনবান্ধব রাজনীতি’ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘জননীতি’র রূপরেখা নিয়ে কাজ করতে হবে, যেখানে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর মানুষ নিজেদের এই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ মনে করবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সুজা উদ্দিনের এই নতুন নিয়োগের ফলে তিন পার্বত্য জেলা (বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি) ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে এনসিপির সাংগঠনিক বিস্তার নতুন এক গতি পাবে এবং তৃণমূলের প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই আরও সুসংহত হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজা উদ্দিন

আপডেট সময় ০৯:৩৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

তরুণদের অগ্রগামী রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য প্রকাশিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাহাড়, সাগর ও সমতল বেষ্টিত চট্টগ্রামের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ এস এম সুজা উদ্দিন। তৃণমূল স্তরকে শক্তিশালী করা এবং বৈচিত্র্যময় ভূ-রাজনীতিকে এক সুতোয় গাঁথার লক্ষ্যে তাঁকে এই নতুন দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

 

এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনকালে সুজা উদ্দিনের নেতৃত্বে এক অভূতপূর্ব সাংগঠনিক জোয়ার তৈরি হয়। তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের লক্ষ্মীপুর থেকে শুরু করে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক জেলায় সফলভাবে আহ্বায়ক ও নির্বাহী কমিটি সম্পন্ন করেন।

 

বিশেষ করে তিন পার্বত্য জেলা ও সমুদ্র উপকূলবর্তী কক্সবাজারে অভূতপূর্ব রাজনৈতিক কর্মসূচি ও ব্যতিক্রমী প্রোগ্রাম আয়োজনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে একটি নতুন ধারার ‘বে অব বেঙ্গল পলিটিক্স’ বা বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক ভাবনার সূচনা করেন। পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সংসদীয় আসনে (এমপি ইলেকশন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুবাদে এই অঞ্চলে তাঁর একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং নিবিড় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। ওই সময়ে তাঁর অভিনব এবং বৈচিত্র্যময় প্রচার কৌশল পুরো পাহাড়ি অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিল এবং তৃণমূল মানুষের মাঝে এনসিপির ভিত গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল।

 

দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এএসএম সুজা উদ্দিন বলেন, “আমাদের এই ভৌগোলিক অঞ্চলটি (চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চল) কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার রাজনৈতিক ময়দান যেমন আলাদা, তেমনি এখানকার বৈচিত্র্যময় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অধিকার ও তাদের অভ্যন্তরীণ আলাপের ধরনও সম্পূর্ণ ভিন্ন।”

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, “পাহাড়ে বা সমতলে জোরপূর্বক কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। এখানে সফল হতে হলে পুরোপুরি ‘জনবান্ধব রাজনীতি’ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘জননীতি’র রূপরেখা নিয়ে কাজ করতে হবে, যেখানে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর মানুষ নিজেদের এই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ মনে করবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সুজা উদ্দিনের এই নতুন নিয়োগের ফলে তিন পার্বত্য জেলা (বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি) ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে এনসিপির সাংগঠনিক বিস্তার নতুন এক গতি পাবে এবং তৃণমূলের প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই আরও সুসংহত হবে।